চলতি বছর রসায়নে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন ফরাসি বিজ্ঞানী অঁরি কাগান এবং জাপানের বিজ্ঞানী কেনসো সোআই। জৈব রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অরৈখিক প্রভাব এবং অসমমিত সংশ্লেষণে স্ব-অনুঘটনের ভূমিকা আবিষ্কারের স্বীকৃতি হিসেবে তাঁদের এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ সময় বুধবার (৭ অক্টোবর) বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিটে সুইডেনের স্টকহোম থেকে রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্সেস ২০২৬ সালের রসায়নে নোবেলজয়ীদের নাম ঘোষণা করে।
রসায়নে নোবেল পাওয়া এই দুই বিজ্ঞানীর গবেষণা জৈব রাসায়নিক বিক্রিয়ার জটিল প্রক্রিয়া এবং অসমমিত সংশ্লেষণে স্ব-অনুঘটনের ভূমিকা বোঝার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে।
এর আগে চলতি বছর চিকিৎসাবিজ্ঞানে তিন বিজ্ঞানী এবং পদার্থবিজ্ঞানে একজন বিজ্ঞানী নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন। রসায়নের পুরস্কার ঘোষণার মধ্য দিয়ে এ বছরের নোবেল ঘোষণার ধারাবাহিকতায় আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় যুক্ত হলো।
২০২৬ সালে নোবেল পুরস্কারের অর্থমূল্যও বাড়ানো হয়েছে। চলতি বছর প্রতিটি বিভাগে পুরস্কার হিসেবে দেওয়া হবে মোট ১ কোটি ২০ লাখ সুইডিশ ক্রোনা। গত বছর এই অর্থের পরিমাণ ছিল ১ কোটি ১০ লাখ ক্রোনা।
অর্থাৎ এক বছরে নোবেল পুরস্কারের অর্থমূল্য বেড়েছে ১০ লাখ সুইডিশ ক্রোনা, যা প্রায় ৯ শতাংশ বৃদ্ধি। কোনো বিভাগে একাধিক বিজয়ী থাকলে নির্ধারিত অর্থ তাঁদের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হবে।
নোবেল ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক হানা স্টিয়ারনে জানিয়েছেন, ২০২৬ সালে নোবেল পুরস্কারের ১২৫তম বার্ষিকী উপলক্ষে অর্থমূল্য বাড়ানো হয়েছে। এর মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদে পুরস্কারের আর্থিক মূল্য ধরে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে।
নোবেলজয়ীরা অর্থের পাশাপাশি পাবেন একটি করে নোবেল মেডেল ও সনদপত্র। বর্তমান বাজারমূল্য অনুযায়ী ১ কোটি ২০ লাখ সুইডিশ ক্রোনা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৪ কোটি ৯১ লাখ টাকার বেশি।
চলতি বছর নোবেল পুরস্কার ঘোষণাকে ঘিরে বিজ্ঞানীদের পাশাপাশি বিশ্বজুড়ে বিজ্ঞানপ্রেমীদের মধ্যেও ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে।