
হুতিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেন, তাদের বাহিনী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। হামলাটি ‘সুনির্দিষ্ট’ ছিল দাবি করে তিনি বলেন, এর ফলে বিমানবন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটে।
তবে হুতিদের এ দাবির বিষয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিকভাবে বিমানবন্দর আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেনি। সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট জানিয়েছে, হুতিদের ছোড়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র রিয়াদের দিকে যাওয়ার সময় প্রতিহত ও ধ্বংস করা হয়েছে। জোটের দাবি, ক্ষেপণাস্ত্রটি রিয়াদের উত্তরে ভূপাতিত করা হয়।
এদিকে, হুতিদের মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি সৌদি আরবের আবহা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও খামিস মুশাইত বিমানঘাঁটিতেও হামলার দাবি করেছেন। এসব হামলায় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়।
এর বাইরে সৌদি আরবের জিজান ও আসির অঞ্চলের তিনটি সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার কথাও জানিয়েছে হুতিরা। এসব হামলায় হতাহত ও সামরিক স্থাপনায় ক্ষয়ক্ষতির যে দাবি করা হয়েছে, তা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
অন্যদিকে, ইয়েমেনের এডেন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেও হুতিদের হামলার ঘটনা ঘটেছে। ইয়েমেনের পরিবহন মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বিমানবন্দরের রানওয়ের কাছে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানার পর কায়রো থেকে আসা একটি ফ্লাইটকে জেদ্দায় ঘুরিয়ে দেওয়া হয়। এতে অঞ্চলটির বিমান চলাচল পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।
ইয়েমেনে হুতিদের অগ্রযাত্রা এবং তাদের বিরুদ্ধে সৌদি সমর্থিত বাহিনীর নতুন সামরিক অভিযানকে কেন্দ্র করে সাম্প্রতিক দিনগুলোতে সংঘাত তীব্র হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় সৌদি আরবের বিমানবন্দর ও সামরিক স্থাপনায় একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটছে।