
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) পার্লামেন্টে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ অবস্থান জানান। ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবির বরাত দিয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো এ তথ্য জানিয়েছে।
গালিবাফ বলেন, মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে তেহরানের শর্তগুলো স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। ইরানের শর্ত পূরণ, দেশটির অধিকার স্বীকৃতি এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়িত না হওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি খোলার প্রশ্ন নেই।
তার ভাষ্য, আগের আলোচনার কাঠামোয় ফিরে যাওয়ারও সুযোগ তৈরি হয়নি। তেহরান মনে করছে, শর্তগুলো বাস্তবায়ন হলেই কেবল পরিস্থিতির পরিবর্তন হতে পারে।
হরমুজ প্রণালি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ। ইরান এটি বন্ধ রাখায় আন্তর্জাতিক নৌবাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
এর আগে ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে হামলা চালানোর পর মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এর পর পাল্টা সামরিক পদক্ষেপ নেয় তেহরান। ওই সংঘাতের প্রভাব ছড়িয়ে পড়ে অঞ্চলটির বিভিন্ন দেশে।
পরিস্থিতি সামাল দিতে জুনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি সমঝোতা হয়। এতে সামরিক অভিযান বন্ধের পাশাপাশি হরমুজ প্রণালিতে নৌচলাচল স্বাভাবিক করার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত ছিল। তবে পরবর্তী সময়ে প্রণালিটির নৌচলাচল ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে দুই পক্ষের মতবিরোধ দেখা দিলে সেই সমঝোতা ভেস্তে যায়।
এরপর থেকেই হরমুজ প্রণালি পুনরায় খোলার বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় ইরানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হয়ে রয়েছে। গালিবাফের সর্বশেষ বক্তব্যে সেই অবস্থানই আবার স্পষ্ট হলো।