ইউক্রেনের বিদ্যুৎ অবকাঠামোকে লক্ষ্য করে বড় ধরনের হামলার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। রোববার (৩০ আগস্ট) মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়।
রুশ কর্তৃপক্ষের দাবি, সম্প্রতি ইউক্রেন রাশিয়ার বিভিন্ন বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে। এর প্রতিক্রিয়ায় ইউক্রেনের বিদ্যুৎ অবকাঠামোসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে পাল্টা হামলা চালানো হতে পারে।
রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, ইউক্রেনে রাতভর তাদের সামরিক অভিযান চলেছে। এ সময় অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন স্থাপনাকে লক্ষ্য করে হামলা চালানোর দাবি করা হয়েছে।
এর আগে শনিবার রাতে কিয়েভে একটি অস্ত্র সংরক্ষণাগারে রুশ ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটে। হামলার পর সেখানে থাকা বিস্ফোরক থেকে বড় ধরনের বিস্ফোরণ ঘটে। এতে অন্তত ৩৭ জন নিহত এবং বহু মানুষ আহত হয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানান, একটি রুশ ড্রোন ওই গুদামে আঘাত হানার পর বিস্ফোরণের সূত্রপাত হয়। এতে আশপাশের এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
জেলেনস্কির ভাষ্য অনুযায়ী, ওই এলাকায় বিস্ফোরক সংরক্ষণ করার কথা ছিল না। কীভাবে সেখানে এসব সামগ্রী রাখা হলো, তা খতিয়ে দেখা হবে এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলেও জানান তিনি।
অন্যদিকে, কিয়েভের অস্ত্র গুদামে হামলার কথা স্বীকার করেছে রাশিয়া। মস্কোর দাবি, ওই স্থাপনায় ড্রোন তৈরির বিভিন্ন উপকরণ সংরক্ষণ করা হচ্ছিল।
সাম্প্রতিক সময়ে কিয়েভে রুশ হামলার মাত্রা বেড়েছে। একই সময়ে ইউক্রেনও রাশিয়ার বিভিন্ন বাণিজ্যিক ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে। ফলে দুই দেশের পাল্টাপাল্টি হামলায় সংঘাত আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।