ইরানের সঙ্গে পাঁচ মাস ধরে চলা যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের দূরপাল্লার নির্ভুল হামলার সক্ষম ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত আশঙ্কাজনকভাবে কমে এসেছে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আর্মি ট্যাকটিক্যাল মিসাইল সিস্টেম (এটিএসিএমএস) ও নতুন প্রজন্মের প্রিসিশন স্ট্রাইক মিসাইল (পিআরএসএম)-এর প্রায় পুরো মজুতই ব্যবহার করে ফেলেছে মার্কিন সেনাবাহিনী। এতে ভবিষ্যতে রাশিয়া বা চীনের মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষের সঙ্গে সম্ভাব্য সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক প্রস্তুতি নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক মার্কিন সূত্র জানিয়েছে, যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ায় গুরুত্বপূর্ণ এই ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত দ্রুত কমে গেছে। যদিও হোয়াইট হাউসের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশি অস্ত্র রয়েছে এবং প্রতিরক্ষা শিল্প বর্তমানে রেকর্ড পরিমাণে নতুন অস্ত্র উৎপাদন করছে।
এদিকে বিশ্লেষকদের মতে, উৎপাদন বাড়লেও দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের চাহিদা পূরণে তা যথেষ্ট নাও হতে পারে। সাম্প্রতিক এক অভ্যন্তরীণ বৈঠকে মার্কিন প্রশাসন ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত পরিস্থিতি এবং নতুন কোনো সংঘাত দেখা দিলে তা মোকাবিলার সক্ষমতা নিয়েও আলোচনা করেছে। একই সঙ্গে প্যাট্রিয়ট, থাড ও টমাহকের মতো অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেপণাস্ত্রের মজুতও উল্লেখযোগ্যভাবে কমে এসেছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।