অব্যাহত বৃষ্টি ও ভারতের উজান থেকে আসা পাহাড়ি ঢলে দেশের নদ-নদীর পানি বাড়ায় বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে তিস্তাসহ দেশের উত্তর, উত্তর-পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের বেশ কয়েকটি নদ-নদীর পানি দ্রুত বাড়ছে।
ইতিমধ্যে চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার পৌরসভাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে বিভিন্ন এলাকায় স্বল্পমেয়াদি বন্যা দেখা দিতে পারে। অন্যদিকে, অব্যাহত বৃষ্টিতে রাজধানী ঢাকা ও চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন শহরে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ায় সাধারণ মানুষের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
জানা গেছে, টানা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার পৌরসভা ও বেশ কয়েকটি ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে। ডলু ও সাঙ্গু নদী এবং হাঙ্গর খালের পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় শত শত বসতবাড়ি, গ্রামীণ সড়ক ও নিচু এলাকা প্লাবিত হয়েছে। কোথাও তীব্র পানির স্রোতে সড়ক ভেঙে গেছে, আবার কোথাও দেখা দিয়েছে নদীভাঙনের আশঙ্কা। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। টানা কয়েকদিনের বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে গতকাল বুধবারও।
এর প্রভাবে মঙ্গলবার রাত থেকে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে পৌরসভার সাতকানিয়া সরকারি কলেজ ও আশেপাশের এলাকায় বিভিন্ন বসতি এবং সড়ক পানিতে তলিয়ে যায়। পাশাপাশি ছদাহা, বাজালিয়া, কেওঁচিয়া, কাঞ্চনা, নলুয়া, সোনাকানিয়াসহ একাধিক ইউনিয়নে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
স্থানীয়দের ভাষ্য, সময়ের ব্যবধানে পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় অনেক পরিবার প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সরিয়ে নিতে হিমশিম খাচ্ছে। নিচু এলাকার ঘরবাড়ি, রান্নাঘর ও গবাদিপশুর খামারে পানি ঢুকে পড়েছে।
তাছাড়া, সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে আগামী ২-৩ দিন খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতিভারী বর্ষণ হতে পারে। অতিভারী বৃষ্টির কারণে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের ঝুঁকি রয়েছে এবং শহরের নিচু এলাকায় জলাবদ্ধতা তৈরি হতে পারে।
জানা গেছে, হাঙ্গর খালের পানিতে ছদাহা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব ছদাহা, সিন্ধুপ্যাপাড়া এবং ২ নম্বর ওয়ার্ডের বিচ্ছিন্যাপাড়া, হাসারপাড়া ও বণিকপাড়াসহ কয়েকটি এলাকায় বসতবাড়ি পানিতে তলিয়ে গেছে। অনেক পরিবার নিরাপদ স্থানে চলে গেছেন।
সোনাকানিয়া ইউনিয়নে ডলু নদীর পানি বৃদ্ধি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে ১ নম্বর ওয়ার্ডের মির্জাখীল চৌধুরী বাড়ি, ডিলারপাড়াসহ একাধিক এলাকার বসতবাড়ি পানিতে তলিয়ে গেছে। ডলু নদীর তীরবর্তী পশ্চিম ঢেমশা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় নদীভাঙনের শঙ্কা দেখা দিয়েছে। নদীর তীব্র স্রোতে তীরের মাটি ধসে পড়তে শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
এছাড়া সাতকানিয়া রাস্তার মাথা থেকে কলেজ রোড পর্যন্ত সড়কের একটি অংশ তীব্র পানির স্রোতে ভেঙে গেছে। এতে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে এবং স্থানীয়দের ভোগান্তি বেড়েছে। বাজালিয়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম বড়দুয়ারা এলাকায়ও বন্যার পানি ঢুকে পড়েছে একাধিক বসতবাড়িতে।
অন্যদিকে, টানা বর্ষণ আর উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে ফেনীর মুহুরী, কহুয়া ও সিলোনীয়া নদীর পানি আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে জেলার উত্তরাঞ্চলের পরশুরাম, ফুলগাজী ও ছাগলনাইয়া উপজেলার নদী তীরবর্তী লাখো মানুষের মধ্যে নতুন করে বন্যা আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা প্রশাসন জরুরি সভা ডেকে আগাম প্রস্তুতি শুরু করেছে।
এদিকে, মৌলভীবাজারে অব্যাহত বৃষ্টি ও ভারতের উজান থেকে আসা পাহাড়ি ঢলে নদ-নদীর পানি বাড়ছে। তবে এখনও বিপদসীমার নীচ দিয়ে কুশিয়ারা, মনু, ধলাই ও জুড়ী নদের পানি প্রবাহিত হচ্ছে। টানা বৃষ্টি থাকলে বন্যা হওয়ার শঙ্কা রয়েছে।
মঙ্গলবার সকাল ৬টা থেকে গতকাল বুধবার দুপুর পর্যন্ত জেলায় ১০৭.৪ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। আগামী কয়েকদিন আরও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, জেলার মনু, ধলাই, কুশিয়ারা ও জুড়ী নদীতে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে নিম্নাঞ্চল এলাকাগুলোতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে।
মঙ্গলবার রাত থেকে ভারী বৃষ্টি ও উজানের ঢলে এসব নদীতে পানি বৃদ্ধি পায়। মনু ও ধলাই নদীর কয়েকটি প্রতিরক্ষা বাঁধ ঝুঁকিপূর্ণ থাকায় ভারতে বা উজানে অতিরিক্ত বৃষ্টি হলে এসব এলাকায় বন্যার শঙ্কা রয়েছে।
অন্যদিকে, টানা বর্ষণ আর উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে ফেনীর মুহুরী, কহুয়া ও সিলোনীয়া নদীর পানি আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে জেলার উত্তরাঞ্চলের পরশুরাম, ফুলগাজী ও ছাগলনাইয়া উপজেলার নদী তীরবর্তী লাখো মানুষের মধ্যে নতুন করে বন্যা আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা প্রশাসন জরুরি সভা ডেকে আগাম প্রস্তুতি শুরু করেছে।
গত কয়েকদিন দেশের অধিকাংশ এলাকায় ভারী বৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে। সারাদেশে অতিভারী বর্ষণের আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তরও। অন্যদিকে, বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে দেশের অধিকাংশ নদ-নদীর পানি এখনো বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও উত্তর, উত্তর-পূর্ব ও পূর্বাঞ্চলের কয়েকটি অববাহিকায় আগামী কয়েক দিনে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।
বুধবার দুপুরে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের সহকারী প্রকৌশলী ইমন কল্যাণ দাসের সই করা নদ-নদীর পরিস্থিতি এবং পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়। তবে সবচেয়ে উদ্বেগজনক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে তিস্তা অববাহিকায়। তিস্তা নদী নীলফামারীর ডালিয়া, লালমনিরহাটের কাউনিয়া ও গাইবান্ধার তারাপুর পয়েন্টে সতর্কসীমায় প্রবাহিত হচ্ছে। আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে নদীটির পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে। এতে নীলফামারী, লালমনিরহাট ও রংপুর জেলার নদীতীরবর্তী নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যার আশঙ্কা রয়েছে।
একই সময়ে ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানিও বাড়তে পারে এবং কুড়িগ্রাম ও লালমনিরহাটের কিছু এলাকা সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে। সুরমা-কুশিয়ারা অববাহিকায় কুশিয়ারা নদী সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ ও সুনামগঞ্জের মারঝুলি পয়েন্টে সতর্কসীমায় রয়েছে। আগামী তিন দিনে এ অঞ্চলের নদীগুলোর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে সিলেট ও সুনামগঞ্জের নিম্নাঞ্চলের কোথাও কোথাও সাময়িক প্লাবন ঘটাতে পারে।
এছাড়া নেত্রকোনা, শেরপুর ও ময়মনসিংহ অঞ্চলের সোমেশ্বরী, ভূগাই ও কংস নদীর পানি দ্রুত বাড়তে পারে। একই ধরনের পরিস্থিতির আশঙ্কা রয়েছে হবিগঞ্জ, ফেনী ও চট্টগ্রামের কয়েকটি নদী অববাহিকায়ও। ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে এসব এলাকার নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা ও জলাবদ্ধতা দেখা দিতে পারে।
অন্যদিকে ঢাকা, খুলনা ও রাজশাহী অঞ্চলের প্রধান নদীগুলোর পানি আপাতত স্থিতিশীল রয়েছে এবং আগামী কয়েকদিন সেগুলো বিপৎসীমার নিচ দিয়েই প্রবাহিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের অভ্যন্তরে রংপুর, ময়মনসিংহ, সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগে অতিভারী এবং উজানে ভারতের মেঘালয়, পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা ও অরুণাচল প্রদেশে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে। এ সময়ে দেশে সর্বোচ্চ ২৫৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে চট্টগ্রাম ও ময়মনসিংহে।
এছাড়া লামায় ২১৮, বান্দরবানে ১৯৫, ভৈরব বাজারে ১৯৩, ইটাখোলায় ১৮৮, দেওয়ানগঞ্জে ১৮৪, রাঙামাটিতে ১৬৪, ঠাকুরগাঁওয়ে ১৫৬, চিলমারীতে ১৫০, পাঁচপুকুরিয়ায় ১৪৮ এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১৩১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। পাশাপাশি ভারতের উজানে মাওসিনরামে সর্বোচ্চ ১৮৩ মিলিমিটার, চেরাপুঞ্জিতে ১২৬, আর কে এম সোহরায় ১১৬, কোচবিহারে ১০৪ এবং আগরতলায় ৮৮ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।
আবহাওয়া সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, আগামী ৩ দিন চট্টগ্রাম, সিলেট, ময়মনসিংহ ও রংপুর বিভাগ এবং তৎসংলগ্ন ভারতের ত্রিপুরা, আসাম, মেঘালয় ও পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি হতে পারে। পরবর্তী ২ দিন মাঝারি-ভারী থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে।
এর ফলে চট্টগ্রাম বিভাগের গোমতী, মুহুরি, ফেনী, সেলোনিয়া, হালদা, সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানি আগামী ৩ দিন দ্রুত বাড়তে পারে। এতে আগামী ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টায় বান্দরবান ও কক্সবাজার জেলার বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে।
এছাড়া ফেনী, চট্টগ্রাম ও খাগড়াছড়ি জেলার নদীগুলো কিছু স্থানে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা দেখা দিতে পারে এবং লক্ষ্মীপুর ও নোয়াখালী জেলার নিম্নাঞ্চল সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে। একই সময়ে সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগের মনু, ধলাই, খোয়াই, কংস, সারিগোয়াইন, সোমেশ্বরী, যাদুকাটা ও ভুগাই নদীর পানি দ্রুত বাড়বে।
ফলে আগামী ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টায় সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, নেত্রকোণা, শেরপুর ও ময়মনসিংহ জেলার কিছু স্থানে নদীগুলো বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে এবং নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির উদ্ভব হতে পারে।
অন্যদিকে রংপুর বিভাগের তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় নদীটি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে এবং নীলফামারী, লালমনিরহাট ও রংপুর জেলার নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা হতে পারে।
এছাড়া আগামী ৭২ ঘণ্টায় ধরলা ও দুধকুমার নদী লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রাম জেলায় সতর্কসীমায় প্রবাহিত হতে পারে। সুরমা নদীর পানিও দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলায় সতর্কসীমা অতিক্রম করে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত করতে পারে, তবে কুশিয়ারা নদীর পানি বর্তমানে স্থিতিশীল আছে।
দেশের ১৯টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। একইসঙ্গে এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
বুধবার (৮ জুলাই) আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক বলেন, রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, খুলনা, যশোর, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলের উপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। তাছাড়া, ভারতের উজান থেকে আসা পাহাড়ি ঢলে দেশের নদ-নদীর পানি বাড়ায় বন্যার শঙ্কা রয়েছে।
আবহাওয়ার এই পরিস্থিতির কারণে এসব এলাকার অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। উত্তরবঙ্গ থেকে শুরু করে দেশের দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চলসহ প্রায় সব বিভাগেই এই ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।