ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ৮০ বছর পূর্তি অনুষ্ঠান উপলক্ষে আগামী শনিবার প্রতিষ্ঠানটিতে যাবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের ‘২০ হোস্টেল প্রকল্প’-এর আওতায় দুটি ছাত্রী হোস্টেলের নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন। এ ছাড়া বৃক্ষরোপণ এবং আলোচনা সভায় অংশ নেবেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ও ঢাকা মেডিকেল কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী ডা. জোবাইদা রহমানও উপস্থিত থাকবেন।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ৮০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আগামী শনিবার প্রতিষ্ঠানটিতে যাবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় তিনি স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের ‘২০ হোস্টেল প্রকল্প’-এর আওতায় দুটি ছাত্রী হোস্টেলের নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন।
এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচিতে রয়েছে বৃক্ষরোপণ এবং আলোচনা সভায় অংশগ্রহণ। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ও ঢাকা মেডিকেল কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী ডা. জোবাইদা রহমানও উপস্থিত থাকবেন।
প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাসে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়েছে। বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীরা বলছেন, এই আয়োজন একটি মিলনমেলায় পরিণত হবে। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও তারা আশা প্রকাশ করেছেন। ঢাকা মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪৬ সালের ১০ জুলাই।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম বলেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ দেশের একটি ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান। ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ, ১৯৯০ সালের গণ-অভ্যুত্থান এবং ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানেও এ প্রতিষ্ঠানের অবদান অবিস্মরণীয়।
তিনি বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ঢাকা মেডিকেলের অবকাঠামোগত উন্নয়নে বহু পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছিলেন। সেই ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে প্রিয় ক্যাম্পাসে আসছেন, যা অত্যন্ত আবেগঘন ও আনন্দের।
ঢামেক শাখা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. বেলাল হোসেন নাজিম বলেন, দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নিরলস কাজ করার অঙ্গীকার অনুপ্রাণিত করে। বর্তমান সরকারের প্রতিটি পদক্ষেপ সুপরিকল্পিত ও আধুনিক।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ ছাত্র সংসদের (ঢামেকসু) সাবেক সাধারণ সম্পাদক (জিএস) এবং কার্ডিওলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. মাহমুদুর রহমান নোমান বলেন, আগামী ১১ জুলাই প্রধানমন্ত্রীর আগমন ডিএমসিয়ানদের জন্য গৌরব, আবেগ ও নতুন আশার বার্তা নিয়ে আসবে। এ আয়োজন প্রতিষ্ঠানের ঐতিহ্যকে নতুনভাবে তুলে ধরবে এবং তরুণ প্রজন্মকে দায়িত্বশীল নেতৃত্বে উদ্বুদ্ধ করবে।