ভবিষ্যতে জাতীয় ও স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে আরও গ্রহণযোগ্য, অবাধ এবং অংশগ্রহণমূলক করতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। এ লক্ষ্যে রাজনৈতিক দল, নাগরিক সমাজ ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে সংস্কার কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার কথা জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার সানাউল্লাহ। ভবিষ্যতে আরও নিরপেক্ষ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে কাজ করছে নির্বাচন কমিশন।’
বুধবার (৮ জুলাই) সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ, সংস্কার ও নির্বাচন ব্যবস্থা নিয়ে অংশীজনদের সঙ্গে আয়োজিত সংলাপে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, ভোটারদের আস্থা ফিরিয়ে এনে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচনী পরিবেশ গড়ে তোলাই কমিশনের প্রধান লক্ষ্য।
মো. সানাউল্লাহ বলেন, ‘বিভিন্ন পর্যবেক্ষক সংস্থার মূল্যায়ন ও সুপারিশ গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়া হচ্ছে।’
জাতীয় ও স্থানীয় সরকার নির্বাচন ভিন্ন আইনি কাঠামোর আওতায় অনুষ্ঠিত হয় উল্লেখ করে তিনি জানান, সংশ্লিষ্ট আইনগুলো পর্যালোচনা ও সংস্কারের কাজ চলছে। নির্বাচন-পরবর্তী মূল্যায়নও সম্পন্ন করেছে কমিশন এবং সব অংশীজনকে সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে যেতে চায় তারা।
সংলাপে ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার বলেন, ‘বাংলাদেশের নির্বাচন ব্যবস্থার উন্নয়নে ভবিষ্যতেও সম্পৃক্ত থাকতে চায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন।’
বিশেষ করে নারী, সংখ্যালঘু ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ বাড়াতে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন তিনি।