রাজধানীর আদাবরের শেখেরটেক এলাকায় এক বিকাশ এজেন্টকে কুপিয়ে প্রায় ৩ লাখ টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনতাইয়ের ঘটনায় মোহাম্মদপুরের শীর্ষ সন্ত্রাসী ফরিদ আহমেদ বাবু ওরফে ‘এক্সেল বাবু’সহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-২।
গ্রেপ্তার অন্যদের মধ্যে রয়েছে কব্জিকাটা আনোয়ার গ্রুপের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড আবু সাইদ, রাশেদ খন্দকার, মো. লিটন, মো. তৌসিফ ও মো. তরিকুল ইসলাম।
বুধবার (১৭ জুন) বিকেলে কারওয়ান বাজারে র্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান নয়মুল হাসান।
র্যাব জানায়, মঙ্গলবার সকালে শেখেরটেক এলাকায় একটি বিকাশ এজেন্টের দোকানে ঢুকে সশস্ত্র ছিনতাইকারীরা চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে প্রায় ৩ লাখ টাকা ও একটি মোবাইল ফোন নিয়ে যায়।
ঘটনার পর অভিযান চালাতে গেলে আদাবর থানা পুলিশের সদস্যদের ওপরও হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। এতে ওসি জাহিদুল ইসলাম জাহাঙ্গীর এবং এসআই তরুণ কুমার গুরুতর আহত হন।
গোয়েন্দা তথ্য ও প্রযুক্তির সহায়তায় আদাবর, মোহাম্মদপুর ও মিরপুরের পীরেরবাগ এলাকায় একাধিক অভিযান চালিয়ে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এ সময় ছিনতাইয়ে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল ও একটি সামুরাই উদ্ধার করা হয়।
র্যাবের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, গ্রেপ্তাররা একটি সংঘবদ্ধ ছিনতাই চক্রের সদস্য। তাদের বিরুদ্ধে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে এবং কয়েকজন ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি।
জিজ্ঞাসাবাদে আবু সাইদ নিজেকে কব্জিকাটা আনোয়ার গ্রুপের দ্বিতীয় শীর্ষ নেতা হিসেবে স্বীকার করেছে বলেও জানায় র্যাব। একই সঙ্গে ‘এক্সেল বাবু’কে চক্রের প্রভাবশালী নেতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
র্যাব আরও জানিয়েছে, গ্রেপ্তাররা দীর্ঘদিন ধরে ছিনতাই, চুরি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল এবং তাদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।