দেশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের উপস্থিতি আরও সুশৃঙ্খল ও কার্যকরভাবে তদারকি করতে নতুন মনিটরিং ব্যবস্থা চালু করতে যাচ্ছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। রবিবার (১৪ জুন) থেকে সারা দেশে এ ব্যবস্থা কার্যকর হবে বলে জানা গেছে।
প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন এবং শ্রেণিকক্ষে নিয়মিত পাঠদান নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সম্প্রতি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন) মোহাম্মদ রকিব উদ্দিন স্বাক্ষরিত নির্দেশনায় বলা হয়েছে, প্রতিদিন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রধান শিক্ষকরা তাঁদের ক্লাস্টার গ্রুপে উপস্থিতির এসএমএস পাঠাবেন এবং হাজিরা খাতার ছবি আপলোড করবেন।
ঢাকা মহানগরীর ক্ষেত্রে এ তথ্য পাঠানোর সময় নির্ধারণ করা হয়েছে সকাল ৭টা ৫০ মিনিট, আর অন্যান্য এলাকার জন্য সকাল ৮টা ২০ মিনিট। এরপর সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এবং বিভাগীয় উপপরিচালকেরা পর্যায়ক্রমে তথ্য যাচাই করে অধিদপ্তরে পাঠাবেন।
নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, তথ্য দিতে ব্যর্থ হওয়া বা ভুল তথ্য প্রদান করলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক বা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর (ব্যানবেইস) ২০২৪ সালের তথ্য অনুযায়ী, দেশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা ৬৫ হাজার ৫৬৯টি। এসব প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থী রয়েছে প্রায় ১ কোটি ৩৪ লাখ ৮৪ হাজার এবং শিক্ষক আছেন ৩ লাখ ৫৯ হাজারের বেশি।
শিক্ষা বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এ ধরনের ডিজিটাল মনিটরিং ব্যবস্থা নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করতে সহায়ক হতে পারে, তবে মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়নই হবে মূল চ্যালেঞ্জ।