বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) ‘এক্সপোজিং হিডেন হিট: ম্যাপিং হিট-ড্রিভেন হেলথ ডিসপ্যারিটিস অ্যান্ড অ্যাডভান্সিং পলিসি ইমপ্লিকেশনস ফর ক্লাইমেট-রেজিলিয়েন্ট আরবান ডেভেলপমেন্ট ইন ঢাকা, বাংলাদেশ’ শীর্ষক একটি আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সমবার (৮ জুন) অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ড. একরামুল হক এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন অধ্যাপক ড. আব্দুল হাসিব চৌধুরী। এছাড়া বক্তব্য দেন বুয়েটের রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেশন সেন্টার ফর সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (রাইজ)-এর পরিচালক।
যুক্তরাজ্যের ওয়েলকাম ট্রাস্ট-এর ২.২ মিলিয়ন ডলারের আন্তর্জাতিক প্রকল্পের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) প্রতিনিধিদল নগর পরিকল্পনা, জনস্বাস্থ্য এবং জলবায়ু-সহনশীলতার সমন্বয়ে অত্যাধুনিক গবেষণা পরিচালনার জন্য ২ লাখ ৩৫ হাজার ৬৮০ ডলার-এর গবেষণা অনুদান পাচ্ছে। এই অর্থায়নের মাধ্যমে নগর পরিকল্পনা, জনস্বাস্থ্য এবং জলবায়ু-সহনশীলতা বিষয়ক অত্যাধুনিক গবেষণা পরিচালনা করা হবে।
প্রকল্পটিতে প্রধান গবেষক হিসেবে নেতৃত্ব দিচ্ছেন ড. খন্দকার সাব্বির আহমেদ। সহ-প্রধান গবেষক হিসেবে রয়েছেন ড. শেখ মোখলেছুর রহমান এবং ড. নাজমুল হুদা।
আন্তর্জাতিক এই যৌথ উদ্যোগে অংশ নিয়েছে টুলেন বিশ্ববিদ্যালয়, লুইজিয়ানা স্টেট ইউনিভার্সিটি হেলথ সায়েন্সেস সেন্টার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)। প্রকল্পটির প্রধান গবেষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ড. মোস্তাফিজুর রহমান। এছাড়া গবেষণার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ড. মো. শাহিনুর রহমান এবং অধ্যাপক ড. ফাতিমা আক্তার।
গবেষকরা জানিয়েছেন, তাপপ্রবাহের কারণে সৃষ্ট স্বাস্থ্যঝুঁকির প্রায় অদৃশ্য ধরণগুলো শনাক্ত করতে উন্নত জিওস্পেশিয়াল অ্যানালিটিক্স, রিমোট সেন্সিং, থার্মাল ইমেজিং এবং জনসম্পৃক্ততাভিত্তিক তথ্য সংগ্রহ পদ্ধতি ব্যবহার করা হবে। প্রকল্পটির লক্ষ্য দক্ষিণ এশিয়ার শহরগুলোতে আরও ন্যায়সঙ্গত ও জলবায়ু-সহনশীল নগর পরিবেশ গঠনে বিজ্ঞানভিত্তিক সমাধান চিহ্নিত করা।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রকল্পটির বিস্তারিত রূপরেখা উপস্থাপন করা হয়। এতে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন।
বক্তারা বলেন, এই অনুদান প্রাপ্তি জলবায়ু ও টেকসই বিজ্ঞান গবেষণায় বুয়েটের ক্রমবর্ধমান সক্ষমতার একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি। একই সঙ্গে এটি বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশের উদীয়মান ভূমিকা আরও শক্তিশালী করবে।