রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে শিশু রামিসা ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দাবি করেছে রাষ্ট্রপক্ষ। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) আদালতে শুনানি শেষে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এ দাবি জানান।
রাষ্ট্রপক্ষের বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর আজিজুল রহমান দুলু আদালতে বলেন, সাক্ষীদের জবানবন্দি, জব্দকৃত আলামত এবং অন্যান্য প্রমাণে আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। ন্যায়বিচারের স্বার্থে তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দেওয়া উচিত বলে তিনি যুক্তি উপস্থাপন করেন।
শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় আসামি সোহেল রানার দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি আদালতে পড়ে শোনান। সেখানে ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা রয়েছে বলে জানা যায়।
শুনানির এক পর্যায়ে যুক্তিতর্ক শুরুর আগে স্বপ্না আক্তার অসুস্থতা অনুভব করেন। পরে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয় এবং আদালতের কাঠগড়ায় পুনরায় তোলা হয়।
এর আগে মঙ্গলবার (২ জুন) মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। ওইদিন রামিসার বাবা-মা, বোন, স্বজন, প্রতিবেশী প্রত্যক্ষদর্শী এবং তদন্ত কর্মকর্তাসহ মোট ১৬ জন সাক্ষ্য দেন।
উল্লেখ্য, গত ১৯ মে রাজধানীর পল্লবীর একটি বাসা থেকে আট বছরের শিশু রামিসার খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে একই ফ্ল্যাটের বাসিন্দা সোহেল রানা ও তার স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর তারা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন বলে জানা যায়।