আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে রেলওয়ের খোলা জায়গা, রেললাইন সংলগ্ন এলাকা এবং রেলস্টেশনের প্রবেশপথে কোরবানির পশুর হাট স্থাপন না করতে সংশ্লিষ্ট সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রেলওয়ের পূর্বানুমোদন ছাড়া এসব স্থানে হাট বসানো যাবে না বলেও সিদ্ধান্ত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসারের জনসংযোগ কর্মকর্তা রেজাউল করিম সিদ্দিকীর স্বাক্ষরিত ঈদের অগ্রিম টিকিট বিক্রিসংক্রান্ত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতাধীন শাহজাহানপুর রেলওয়ে কলোনি এলাকায় যদি পশুর হাট স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তবে তা মৈত্রী সংঘ মাঠ সংলগ্ন নির্ধারিত সীমার মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখতে হবে।
এছাড়া রেললাইনের কাছাকাছি কোনো স্থানে পশুর হাট অনুমোদিত হলে ইজারাদারকে রেললাইনের পাশ ঘেঁষে নির্দিষ্ট দৈর্ঘ্য ও নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে বাঁশ বা উপযুক্ত উপকরণ দিয়ে শক্ত ঘেরাবেষ্টনী নির্মাণ করতে হবে। এই বেষ্টনী এমনভাবে স্থাপন করতে হবে, যাতে ট্রেন চলাচলে কোনো বিঘ্ন না ঘটে এবং হাটে আগত মানুষের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত হয়।
জেলা প্রশাসনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে স্থানীয় পুলিশ ও রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ সমন্বয়ের মাধ্যমে ট্রেন চলাচল ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। একই সঙ্গে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে ঢাকা মহানগরের অভ্যন্তরে বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপকের সার্বিক তত্ত্বাবধানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বয়ে নির্বিঘ্ন ট্রেন চলাচল এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।