স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন, দেশের সিটি করপোরেশনগুলোর ইলেকশন (নির্বাচন)মেয়াদ অনুযায়ী ধাপে ধাপে করা হবে এবং সেই প্রস্তুতি সরকার ও নির্বাচন কমিশনের রয়েছে।
আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে ৬ সিটি করপোরেশনের নতুন প্রশাসকদের দায়িত্বগ্রহণ অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, দলীয় প্রতীকে সিটি করপোরেশন নির্বাচন হবে কী না, তা নির্ধারিত হবে জাতীয় সংসদে।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন কি দলীয় প্রতীকে হবে, নাকি হবে না— সাংবাদিকদের এ প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, এই সিদ্ধান্ত সংসদে হবে। আর সিটি করপোরেশনগুলোতে যেহেতু সরকারি কর্মকর্তারা দায়িত্বশীল ছিলেন, আমরা মনে করছি যে এখানে রাজনৈতিক ব্যক্তিরা থাকলে জনগণের সেবা বেশি পাবে এবং ভালোভাবে পাবে। এটা আমাদের বিশ্বাস আর কী। সেই কারণেই আমরা রাজনৈতিক ব্যক্তিদের এই প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছি। এতে জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ততা বাড়বে বলেও মনে করেন তিনি।
দলীয় প্রতীকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন হওয়া দরকার কি না, এ বিষয়ে মন্ত্রীর মতামত চাওয়া হলে তিনি বলেন, না, আমার ব্যক্তিগত মতামতের কোনো সুযোগ নেই এখানে। এখানে আমাদের দলীয় সিদ্ধান্ত আছে, সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কাজ করবো।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, যেসব স্থানীয় সরকারগুলোর মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে, সেগুলো থেকেই নির্বাচন শুরু হবে। ঢাকার আগে হওয়ার সম্ভাবনা আছে দুটোতে। আর কয়েকটা আছে যে, যাদের মেয়াদ মেয়াদ শেষ হয়েছে তাদেরটা আগে হবে।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু করে কতদিনের ভেতর শেষ করার পরিকল্পনা- এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা এভাবে, এখনই বলা যাবে না। এটা আমরা যখন দেখবো একেক করে বাই ফেজ, এটা চলমান প্রক্রিয়া। লোকাল গভর্নমেন্ট ইলেকশনও কিন্তু একটা চলমান প্রক্রিয়া। কারও মেয়াদ শেষ হয় আবার নির্বাচন হয়। ইউনিয়ন পরিষদেও তাই হয়, উপজেলাতেও তাই হয়। সুতরাং ইট ইজ অ্যা কন্টিনিউয়াস প্রসেস।
এর আগে এলজিআরডি মন্ত্রীর কাছে সিটি করপোরেশনের প্রশাসকরা যোগদানপত্র জমা দেন।