
স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার দাম কমে যাওয়ায় গহনার দাম সমন্বয় করেছে সংগঠনটি। বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটির বৈঠকে দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীনের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে নতুন মূল্যতালিকা প্রকাশ করা হয়।
বাজুসের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার গহনার দাম ৩ হাজার ১৫০ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১০ হাজার ৯৪৩ টাকা। ১৮ ক্যারেটের এক ভরির দাম ২ হাজার ৬৮৩ টাকা কমে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৮১ হাজার ২০০ টাকা। আর সনাতন পদ্ধতির সোনার গহনার দাম ভরিতে ২ হাজার ১৮৬ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৪৮ হাজার ১৬ টাকা।
নতুন এই মূল্যহ্রাসের মধ্য দিয়ে চলতি মাসে চার দফায় কমল সোনার গহনার দাম। এর আগে ১৩, ২২ ও ২৩ অক্টোবর তিন দফায় দাম কমানো হয়েছিল। ওই তিন দফায় ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার গহনার দাম মোট ৭ হাজার ১১৫ টাকা কমে। সর্বশেষ দফার ৩ হাজার ৩২৪ টাকা কমার ফলে চার দফায় মোট মূল্যহ্রাসের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১০ হাজার ৪৩৯ টাকা।
সর্বশেষ দাম কমানোর আগে ২৩ অক্টোবর সকাল ১০টা থেকে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার গহনা বিক্রি হচ্ছিল ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকায়। একই সময়ে ২১ ক্যারেটের দাম ছিল ২ লাখ ১৪ হাজার ৯৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ১ লাখ ৮৩ হাজার ৮৮৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার গহনার দাম ছিল ১ লাখ ৫০ হাজার ২৩২ টাকা। নতুন সিদ্ধান্তে সব ধরনের সোনার গহনার দামই কমেছে।
এদিকে সোনার দাম কমলেও রুপার গহনার মূল্য অপরিবর্তিত রেখেছে বাজুস। ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার গহনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ হাজার ৮৪৯ টাকা। ২১ ক্যারেটের দাম ৩ হাজার ৬৭৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ৩ হাজার ১৪৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার গহনার দাম ২ হাজার ৩৯১ টাকা।
বাজুসের নির্ধারিত মূল্যতালিকা অনুযায়ী, এক ভরি বলতে ১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম সোনা বোঝানো হয়। তবে গহনা কেনার সময় নির্ধারিত বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে প্রযোজ্য মজুরি ও অন্যান্য খরচ যুক্ত হতে পারে। তাই ক্রেতাদের চূড়ান্ত মূল্য জেনে কেনাকাটা করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।