জনবল-সরঞ্জামে ঘাটতি, নানামুখী চাপে পুলিশ

শাকিল আহমেদ

জাতীয়

আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ দমন, আসামি গ্রেপ্তার কিংবা জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া দেওয়া, পুলিশের দৈনন্দিন কার্যক্রমের বড় অংশ নির্ভর করে সচল

2026-10-21T13:34:59+00:00
2026-10-21T13:34:59+00:00
  বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬,
৬ কার্তিক ১৪৩৩
 
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
জাতীয়
জনবল-সরঞ্জামে ঘাটতি, নানামুখী চাপে পুলিশ
আহত-অসুস্থ সদস্যদের চিকিৎসাসেবা নিয়েও রয়েছে উদ্বেগ
শাকিল আহমেদ
বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৩৪ পিএম 
সংগৃহীত ছবি
আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ দমন, আসামি গ্রেপ্তার কিংবা জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া দেওয়া, পুলিশের দৈনন্দিন কার্যক্রমের বড় অংশ নির্ভর করে সচল যানবাহন ও পর্যাপ্ত জনবলের ওপর। দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে আহত বা অসুস্থ সদস্যদের জন্য প্রয়োজন মানসম্মত চিকিৎসাসেবাও। কিন্তু যানবাহনের স্বল্পতা, পুরোনো গাড়ি, জ্বালানিসংকট এবং হাসপাতালের জনবল ও চিকিৎসা সরঞ্জামের সীমাবদ্ধতা, সব মিলিয়ে একাধিক চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে পুলিশ।

দেশের ৬৩৯টি সাধারণ থানায় যানবাহন রয়েছে মাত্র ১ হাজার ২৩৭টি। এসব গাড়ির ৬৪ শতাংশের বয়স ১০ বছরের বেশি। অন্যদিকে, ২০১৯ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে ৩ হাজার ৬৮২টি যানবাহন অকেজো ঘোষণা করা হলেও নতুন কেনা হয়েছে ২ হাজার ২৪৯টি। এতে পুরোনো গাড়ির বিকল্প তৈরি এবং মাঠপর্যায়ে পুলিশের পরিবহন সক্ষমতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে পুলিশের জন্য ৫ হাজার ৮৩০টি যানবাহন কেনার দুটি প্রকল্প নেওয়ার উদ্যোগ হয়েছে। এতে সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৬ হাজার ৬০৯ কোটি টাকা। আগামী ২৫ অক্টোবর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় প্রকল্প দুটি অনুমোদনের জন্য উপস্থাপনের কথা রয়েছে। তবে প্রকল্প অনুমোদন, ক্রয়প্রক্রিয়া ও যানবাহন সরবরাহের পর মাঠপর্যায়ে কতটা সুফল মিলবে, তা নির্ভর করবে বাস্তবায়ন ও প্রয়োজন অনুযায়ী বণ্টনের ওপর।

শুধু যানবাহন নয়, পুলিশ সদস্যদের চিকিৎসাসেবা নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে। এর আগে পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে সদস্যদের জন্য হেলথ কার্ড চালুর দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতাল ও আঞ্চলিক পর্যায়ের চিকিৎসাপ্রতিষ্ঠানে জনবল এবং আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তাও সামনে এসেছে।

থানায় গড়ে দুটি গাড়িও নেই : পুলিশের পরিবহনসংকটের চিত্র উঠে এসেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে। গত ১৬ অক্টোবরের ওই বৈঠকে মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিবের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, পুলিশ বাহিনীর বহরে মোট যানবাহন ১৬ হাজার ২০০টি। এর মধ্যে ৯ হাজার ৮৭৮টি মোটরসাইকেল। বহরের ৬ হাজার ২৫৫টি যানবাহনের বয়স আট বছরের বেশি। দেশের ৬৩৯টি সাধারণ থানায় গাড়ির সংখ্যা ১ হাজার ২৩৭টি। অর্থাৎ গড়ে প্রতি থানায় গাড়ি রয়েছে প্রায় ১ দশমিক ৯৪টি। অথচ একটি থানার আওতাধীন এলাকায় টহল, অপরাধ দমন, অভিযান ও জরুরি সেবা পরিচালনায় একাধিক যানবাহনের প্রয়োজন হয়। পরিকল্পনা প্রস্তাবে একটি থানার জন্য সাধারণত চার থেকে পাঁচটি পিকআপ বা টহলযানের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

এই হিসাব অনুযায়ী, থানাভিত্তিক প্রয়োজন মেটাতে শুধু নতুন গাড়ি কেনাই নয়, কোথায় কতটি যানবাহন দরকার, কোন গাড়ি সচল এবং কোনটি মেরামতযোগ্য, তারও পূর্ণাঙ্গ মূল্যায়ন প্রয়োজন। বিশেষ করে বিস্তৃত ভৌগোলিক এলাকা, অপরাধপ্রবণ অঞ্চল এবং দুর্গম যোগাযোগব্যবস্থার থানাগুলোতে প্রয়োজনের সঙ্গে সরবরাহের সামঞ্জস্য রাখা জরুরি।

সংসদীয় কমিটির বৈঠকে জানানো হয়, ২০১৯ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে ৩ হাজার ৬৮২টি যানবাহন অকেজো ঘোষণা করা হয়েছে। একই সময়ে নতুন কেনা হয়েছে ২ হাজার ২৪৯টি। অর্থাৎ এই সময়ে অকেজো ঘোষিত যানবাহনের সংখ্যার তুলনায় নতুন কেনা গাড়ি ১ হাজার ৪৩৩টি কম। তবে এ হিসাব থেকে পুরো বহরের বর্তমান ঘাটতি নির্ধারণ করা যায় না; কারণ এর মধ্যে অন্য সময়ে কেনা যানবাহন, মেরামত ও অন্যান্য পরিবর্তনের হিসাবও রয়েছে।

গাড়ির পাশাপাশি জ্বালানিসংকটের বিষয়টিও সংসদীয় কমিটির আলোচনায় উঠে আসে। পর্যাপ্ত যানবাহন থাকলেও জ্বালানি বরাদ্দ অপর্যাপ্ত হলে নিয়মিত টহল ও জরুরি সেবা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই পরিবহন সক্ষমতা বাড়ানোর পরিকল্পনায় গাড়ি কেনার পাশাপাশি জ্বালানি ও রক্ষণাবেক্ষণের ব্যয়ও বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।

৬৬০৯ কোটি টাকার যানবাহন কেনার উদ্যোগ : পরিকল্পনা কমিশনের প্রস্তাব অনুযায়ী, দুটি প্রকল্পের মাধ্যমে ৫ হাজার ৮৩০টি যানবাহন কেনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে নিয়মিত টহল ও অপরাধ দমনের কাজে ব্যবহারের জন্য ৪ হাজার ৮২৯টি যানবাহন কেনার প্রস্তাব রয়েছে। এতে সম্ভাব্য ব্যয় প্রায় ৪ হাজার ৩২৯ কোটি টাকা।

অন্য প্রকল্পে বিশেষায়িত কার্যক্রমের জন্য ১ হাজার ১টি যানবাহন কেনার পরিকল্পনা রয়েছে। এতে ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ২ হাজার ২৮০ কোটি টাকা। বিশেষায়িত যানবাহনের তালিকায় রয়েছে দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণের গাড়ি, দুর্গম এলাকায় চলাচলের উপযোগী যান, মোবাইল কমান্ড সেন্টার, অপরাধস্থল তদন্তের ভ্যান এবং নৌযান।

প্রস্তাবিত যানবাহন যুক্ত হলে টহল কার্যক্রম জোরদার, অপরাধস্থলে দ্রুত পৌঁছানো, আলামত সংগ্রহ এবং অভিযান সমন্বয়ের সক্ষমতা বাড়তে পারে। নদীবেষ্টিত ও দুর্গম এলাকায় নৌযান এবং বিশেষায়িত গাড়ি উদ্ধারকাজ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সহায়ক হতে পারে।

প্রস্তাবিত প্রকল্প দুটি ২০২৬ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৯ সালের জুন পর্যন্ত বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। যানবাহন মেরামতের সরঞ্জাম কেনা এবং চালক ও মেকানিকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। তবে প্রকল্পের সুফল পেতে হলে গাড়ি কেনার পর সেগুলো সচল রাখার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ, যন্ত্রাংশের সরবরাহ, দক্ষ চালক এবং পর্যাপ্ত জ্বালানি ছাড়া নতুন গাড়িও একসময় কার্যক্ষমতা হারাতে পারে।

চিকিৎসাসেবায় জনবল ও সরঞ্জামের ঘাটতি : পুলিশ সদস্যদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করাও বাহিনীর সক্ষমতার সঙ্গে সম্পর্কিত। গত ১১ মে পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের সম্মেলনে সদস্যদের জন্য হেলথ কার্ড চালুর দাবি জানান পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত ডিআইজি (ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট) আহম্মদ মুঈদ।

তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রায় দুই লাখ পুলিশ সদস্য এবং তাঁদের পরিবারের প্রায় ১০ লাখ সদস্য রাজারবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতাল ও বিভাগীয় পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসা নেন। রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালে প্রতিদিন দুই থেকে তিন হাজার রোগী সেবা গ্রহণ করেন। হাসপাতালটির শয্যাসংখ্যা ৫০০। তবে জনবলসংকটের কারণে প্রয়োজনীয় সেবা দিতে সীমাবদ্ধতা রয়েছে বলে জানান তিনি।

দায়িত্ব পালনকালে গুলিবিদ্ধ পুলিশ সদস্য, সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ট্রাফিক পুলিশ এবং অন্যান্য জরুরি রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার সক্ষমতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তাও তুলে ধরা হয়। একই সঙ্গে দক্ষ চিকিৎসক ও আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জামের ঘাটতির বিষয়টি সামনে আসে। কিছু ক্ষেত্রে সদস্যদের বেসরকারি হাসপাতাল কিংবা বিদেশে চিকিৎসা নিতে হয়। কিন্তু স্বল্প বেতনে চাকরি করা সদস্যদের জন্য এসব চিকিৎসার ব্যয় বহন করা কঠিন।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালের জন্য ৯২৪ জন এবং আঞ্চলিক পর্যায়ে আরও ৬২৯ জন জনবল নিয়োগের প্রস্তাব প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। প্রস্তাবটি বাস্তবায়িত হলে চিকিৎসাসেবা সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে নিয়োগের পাশাপাশি চিকিৎসক, নার্স, টেকনিশিয়ান ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীর পদ পূরণ এবং প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি সরবরাহও গুরুত্বপূর্ণ। 

হেলথ কার্ডে কী সুবিধা মিলবে : পুলিশ সদস্যদের জন্য হেলথ কার্ড চালু হলে চিকিৎসাব্যয় বহনে সহায়তা পাওয়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে এ ব্যবস্থার কার্যকারিতা নির্ভর করবে এর আওতা ও সুবিধার ধরন নির্ধারণের ওপর। কোন সদস্য ও পরিবারের কতজন এর সুবিধা পাবেন, কোন হাসপাতালগুলো অন্তর্ভুক্ত হবে, চিকিৎসাব্যয়ের কত অংশ বহন করা হবে এবং জরুরি চিকিৎসায় অনুমোদন কীভাবে দেওয়া হবে, এসব বিষয়ে সুস্পষ্ট নীতিমালা প্রয়োজন।

বিশেষ করে দায়িত্ব পালনকালে গুরুতর আহত সদস্যদের চিকিৎসা যাতে অর্থের অভাবে বিলম্বিত না হয়, সে জন্য দ্রুত অনুমোদন ও ব্যয় পরিশোধের ব্যবস্থা থাকা জরুরি। একই সঙ্গে সরকারি হাসপাতালের সক্ষমতা বাড়ানো গেলে হেলথ কার্ডের ওপর নির্ভরতা ও চিকিৎসাব্যয়ের চাপ ব্যবস্থাপনার সুযোগ তৈরি হতে পারে।

এ বিষয়ে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস) কামারুম মুনিরা বলেন, পুলিশের দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া দেওয়ার ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত ও সচল যানবাহন গুরুত্বপূর্ণ। পুরোনো ও অকেজো যানবাহনের পরিবর্তে নতুন যানবাহন সংযোজনের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। প্রয়োজনীয় যানবাহন নিশ্চিত করা গেলে টহল কার্যক্রম জোরদার, অপরাধপ্রবণ এলাকায় নজরদারি বৃদ্ধি এবং দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছানো সহজ হবে। এ জন্য প্রয়োজনীয় বাজেট বরাদ্দ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা জরুরি। তিনি আরও বলেন, পুলিশের চিকিৎসাসেবার মান উন্নয়নেও পর্যাপ্ত জনবল ও আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম প্রয়োজন। চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীর ঘাটতি এবং প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতির সীমাবদ্ধতা দূর করা গেলে পুলিশ সদস্যদের চিকিৎসাসেবা আরও সহজলভ্য ও কার্যকর করা সম্ভব হবে। এ ক্ষেত্রে জনবল নিয়োগ, চিকিৎসা সরঞ্জাম সংযোজন এবং স্বাস্থ্যসেবা অবকাঠামোর উন্নয়নে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা : পুলিশের যানবাহন ও চিকিৎসাসেবার সংকট আলাদা হলেও দুটির সঙ্গে বাহিনীর কর্মক্ষমতা ও সদস্যদের কল্যাণ সরাসরি জড়িত। টহলযান না থাকলে কিংবা জ্বালানি ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে গাড়ি অচল থাকলে জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া দেওয়া কঠিন হতে পারে। আবার দায়িত্ব পালনকালে আহত সদস্য যথাসময়ে মানসম্মত চিকিৎসা না পেলে তাঁর সুস্থ হয়ে কাজে ফেরার প্রক্রিয়াও দীর্ঘায়িত হতে পারে।

এ কারণে নতুন যানবাহন কেনার পাশাপাশি থানাভিত্তিক চাহিদা নিরূপণ, জ্বালানি বরাদ্দ, মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণের স্থায়ী বাজেট এবং কারিগরি জনবল নিশ্চিত করা প্রয়োজন। একইভাবে হাসপাতালের শয্যা বাড়ানো, চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ, আধুনিক যন্ত্রপাতি সরবরাহ এবং জরুরি রোগী পরিবহনের সক্ষমতা উন্নত করা দরকার।

সরকারের প্রস্তাবিত যানবাহন ক্রয় প্রকল্প এবং পুলিশ সদস্যদের চিকিৎসাসুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে বিদ্যমান সংকট কমানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে শুধু বরাদ্দ ও প্রকল্প গ্রহণে সীমাবদ্ধ থাকলে প্রত্যাশিত ফল পাওয়া কঠিন। প্রয়োজনের ভিত্তিতে সম্পদের বণ্টন, সময়মতো বাস্তবায়ন, নিয়মিত তদারকি এবং মাঠপর্যায়ে সুফল পৌঁছানো নিশ্চিত করাই হবে এসব উদ্যোগের কার্যকারিতা যাচাইয়ের প্রধান মানদন্ড।



Loading...
Loading...

জাতীয়- এর আরো খবর

Loading...
Loading...
© 2026 Daily Daily Bhorer Dak
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে.এম. বেলায়েত হোসেন
৪-ডি, মেহেরবা প্লাজা, ৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত এবং মনিরামপুর প্রিন্টিং প্রেস ৭৬/এ নয়াপল্টন, ঢাকা থেকে মুদ্রিত। পিএবিএক্স: ৪১০৫২২৪৫, ৪১০৫২২৪৬, ০১৭৭৫-৩৭১১৬৭, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন: ৪১০৫২২৫৮
ই-মেইল : [email protected], [email protected]
ফলো করুন: