সাংবাদিকে দায়িত্ব পালনে বাধা, ফোন কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে

পাবিপ্রবি সংবাদদাতা

শিক্ষা

পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পাবিপ্রবি) নারীঘটিত একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের সময় পেশাগত দায়িত্ব পালন

2026-07-29T14:53:18+00:00
2026-07-29T14:53:18+00:00
  বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬,
১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
 
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
শিক্ষা
সাংবাদিকে দায়িত্ব পালনে বাধা, ফোন কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে
পাবিপ্রবি সংবাদদাতা
বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ২:৫৩ পিএম 
সংগৃহীত ছবি
পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পাবিপ্রবি) নারীঘটিত একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের সময় পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে এক সাংবাদিকের ওপর হামলা ও তার মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) রাত সাড়ে ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে এ ঘটনা ঘটে। আহত সাংবাদিক আহনাফ মুনতাসীর পাঠান ঢাকা মনিটর ২৪-এর পাবিপ্রবি প্রতিনিধি।

প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, টিউশন শেষে রাত ১০টার দিকে ক্যাম্পাস গেটে এসে দেখা যায়, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের কয়েকজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে গণিত বিভাগের শিক্ষার্থী ইমরানের কথা কাটাকাটি চলছে। এর সূত্রপাত হয় আগের দিন ক্যাম্পাসে বহিরাগত এক ছেলে ও এক মেয়েকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে।

জানা যায়, ইতিহাস বিভাগের ২০১৯–২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী রাকিব হাসান ও আশফাকুর রাহাত এবং গণিত বিভাগের ২০২০–২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ইমরান ওই যুগলকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখে তাদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, তারা পরস্পরের সঙ্গে সম্পর্কে রয়েছেন এবং বিষয়টি পরিবার অবগত। পরে পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের কয়েকজন শিক্ষার্থী বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করতে রাকিব ও ইমরানের সঙ্গে দেখা করেন। একপর্যায়ে কথাকাটাকাটি থেকে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।

অভিযোগ রয়েছে, এ সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে সাংবাদিক আহনাফ মুনতাসীর পাঠান ভিডিও ধারণ শুরু করলে পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ২০২১–২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী রিফাত তার মোবাইল ফোন কেড়ে নেন। সাংবাদিকের সহপাঠীরা বাধা দিতে এগিয়ে এলে তাদের বাঁশ দিয়ে আঘাত করা হয় এবং কিল-ঘুষি মারা হয়।

লোক প্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী আলিফ বলেন, ‘আমাদের সাংবাদিক বন্ধুর ফোন কেড়ে নেওয়া হলে আমরা এগিয়ে যাই। তখন আমাদের ওপর বাঁশ দিয়ে হামলা করা হয়, কলার ধরে টানাহেঁচড়া করা হয় এবং কিল-ঘুষি মারা হয়।’

অভিযুক্ত শিক্ষার্থী রাকিবুল হাসান স্মরণ বলেন, আমাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি চলছিল। একপর্যায়ে আমি বলি, “রাহাত কে?” তখন একজন সিনিয়র এসে আমাকে ধাক্কা দেন। পরে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির মধ্যে ভিডিও ধারণ করলে আমার বন্ধু রিফাত ফোনটি নিয়ে নেয়। আমরা জানতাম না তিনি সাংবাদিক। পরে বিষয়টি জানতে পেরে ফোন ফিরিয়ে দেওয়া হয়। এরপর তার বন্ধুরা গালিগালাজ করলে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত শিক্ষার্থী রিফাত বলেন, আমাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হচ্ছিল। হঠাৎ আহনাফ এসে ভিডিও ধারণ শুরু করেন। আগে লোক প্রশাসন বিভাগের সঙ্গে আমাদের বিরোধ থাকায় মনে হয়েছিল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ভিডিও করা হচ্ছে। সে কারণেই ফোনটি নিয়েছিলাম। পরে তিনি সাংবাদিক বলে জানতে পেরে ফোন ফিরিয়ে দিই।

ভুক্তভোগী সাংবাদিক আহনাফ মুনতাসীর পাঠান বলেন, আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি মারামারি চলছে। পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে ভিডিও ধারণ শুরু করলে আমাকে বাধা দেওয়া হয়। পরে আমাকে আঘাত করে মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয়। এতে আমার হাতে আঘাত লাগে।


Loading...
Loading...

শিক্ষা- এর আরো খবর

Loading...
Loading...
© 2026 Daily Daily Bhorer Dak
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে.এম. বেলায়েত হোসেন
৪-ডি, মেহেরবা প্লাজা, ৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত এবং মনিরামপুর প্রিন্টিং প্রেস ৭৬/এ নয়াপল্টন, ঢাকা থেকে মুদ্রিত। পিএবিএক্স: ৪১০৫২২৪৫, ৪১০৫২২৪৬, ০১৭৭৫-৩৭১১৬৭, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন: ৪১০৫২২৫৮
ই-মেইল : [email protected], [email protected]
ফলো করুন: