বিপৎসীমার উপরে তিস্তার পানি, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

ডিমলা (নীলফামারী)সংবাদদাতা

সারাদেশ

নীলফামারীর ডিমলা ডালিয়া পয়েন্টে বিপদসীমা অতিক্রম করে তিস্তার পানি।মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকাল ৬টায় বিপদসীমার ৫ সেন্টিমিটার, সকাল ৯টায় ১০ সেন্টিমিটার

2026-06-24T10:49:23+00:00
2026-06-24T10:49:23+00:00
  বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬,
১০ আষাঢ় ১৪৩৩
 
বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
সারাদেশ
বিপৎসীমার উপরে তিস্তার পানি, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত
ডিমলা (নীলফামারী)সংবাদদাতা
বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ১০:৪৯ এএম 
সংগৃহীত ছবি
নীলফামারীর ডিমলা ডালিয়া পয়েন্টে বিপদসীমা অতিক্রম করে তিস্তার পানি।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকাল ৬টায় বিপদসীমার ৫ সেন্টিমিটার, সকাল ৯টায় ১০ সেন্টিমিটার ও দুপুর ১২টায় ১৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়েছিল। তবে বিকাল ৩টায় বিপদসীমা অতিক্রম করে পানি। মঙ্গলবার পানি বেড়ে বিপদসীমার এক সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়।

পানি উন্নয়ন বোর্ড ডালিয়া ডিভিশনের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্ক কেন্দ্রের গেজ পাঠক (পানি পরিমাপক) নুরুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, হঠাৎ সোমবার থেকে উজানের ঢলে ডালিয়া পয়েন্টে বন্যার পানি বৃদ্ধি পেতে থাকে। এতে তিস্তা তীরবর্তী বিস্তীর্ণ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে পড়ে।

ডিমলা উপজেলার পশ্চিম ছাতনাই ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান আতিকুর রহমান জানান, সোমবার রাত থেকে তিস্তার পানি বৃদ্ধির কারণে স্থানীয় বাসিন্দারা দিশেহারা হয়ে উঁচু জায়গায় যেতে বাধ্য হন। এতে চর, গ্রামসহ নিম্নাঞ্চলে পানি প্রবেশ করে প্রায় এক হাজার পরিবার পানির নিচে তলিয়ে গেছে। দ্রুত তাদের পুনর্বাসনের অনুরোধ জানান তিনি।

উপজেলার টেপাখড়িবাড়ি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম শাহিন বলেন, জেলার ডিমলার পূর্ব ছাতনাই, পশ্চিম ছাতনাই, টেপাখড়িবাড়ি, খালিশা চাপানী, ঝুনাগাছ চাপানী, গয়াবাড়ি, খগাখড়িবাড়ি ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলের ৭ গ্রামের প্রায় সাড়ে ৫ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়ে। এসব পরিবারের মধ্যে অনেকেই নিরাপদ আশ্রয়ে সরে গেছে।

এদিকে জলঢাকা উপজেলার ডাউয়াবাড়ি ও শৌলমারী ইউনিয়নের শতশত পরিবার বন্যাকবলিত হয়ে পড়েছে। তিস্তায় পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নিম্নাঞ্চলের রাস্তাঘাট, শাকসবজি, পুকুরের মাছ ও ফসলি জমি তলিয়ে গেছে। এতে ক্রমেই বাড়ছে মানুষের দুর্ভোগ।

ডালিয়া ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী জানান, ভারত থেকে নেমে আসা উজানের ঢল ও ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে সোমবার সন্ধ্যা ৬টায় বিপদসীমার ৫ সেন্টিমিটার নিচে দিয়ে বন্যার পানি প্রবাহিত হতে থাকে। মঙ্গলবার দুপরে বিপদসীমার ১৫ সেন্টিমিটার নিচে থাকলেও বিকাল ৩টায় এক সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে বন্যার পানি প্রবাহিত হচ্ছে।

তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত বানভাসি মানুষের কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। বন্যার পানি সামাল দিতে ব্যারাজে ৪৪টি জলকপাট খুলে রেখেছে। এদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইমরানুজ্জামান বলেন বন্যা পরিস্থিতি এখনও অস্বাভাবিক পর্যায়ে নেই, নদী তীরবর্তী এলাকায় কয়েকটি পরিবার পানি বন্দী হয়েছে। সংশ্লিষ্ট স্হানীয় ইউনিয়ন চেয়ারম্যানদের সাথে যোগাযোগ রেখে বন্যা পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক মনিটরিং করছি। 


Loading...
Loading...

সারাদেশ- এর আরো খবর

Loading...
Loading...
© 2026 Daily Daily Bhorer Dak
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে.এম. বেলায়েত হোসেন
৪-ডি, মেহেরবা প্লাজা, ৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত এবং মনিরামপুর প্রিন্টিং প্রেস ৭৬/এ নয়াপল্টন, ঢাকা থেকে মুদ্রিত। পিএবিএক্স: ৪১০৫২২৪৫, ৪১০৫২২৪৬, ০১৭৭৫-৩৭১১৬৭, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন: ৪১০৫২২৫৮
ই-মেইল : [email protected], [email protected]
ফলো করুন: