দেশের বাজারে আবারও কমানো হয়েছে স্বর্ণের দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) সর্বশেষ মূল্য সমন্বয়ের মাধ্যমে প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা কমিয়েছে।
নতুন এই দাম শনিবার (২০ জুন) সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে এবং সোমবার (২২ জুন) দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে একই দামে স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে।
বাজুস জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) দাম কমে যাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ভ্যাটসহ সোনার নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন মূল্য অনুযায়ী, ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট সোনা বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ২৬ হাজার ৩৪০ টাকায়।
এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ লাখ ১৬ হাজার ১৯২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ১ লাখ ৮৫ হাজার ৬৯১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম ১ লাখ ৫১ হাজার ৬৯০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই দাম কার্যকর থাকবে। তবে অলঙ্কারের ডিজাইনভেদে মজুরি যুক্ত হবে। যেহেতু স্বর্ণালঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, তাই গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না।
এর আগে গত ১৯ জুন সোনার দাম সমন্বয় করে প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট সোনার দাম ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ২৮ হাজার ৫৫৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। মাত্র এক দিনের ব্যবধানে আবারও দাম কমানোর ঘোষণা দেয় বাজুস।
চলতি বছরে এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে সোনার দাম ৭৮ বার সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৯ বার দাম বেড়েছে, ৩৮ বার কমেছে এবং একবার ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে।
অন্যদিকে, ২০২৫ সালে মোট ৯৩ বার সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, যার মধ্যে ৬৪ বার দাম বৃদ্ধি এবং ২৯ বার হ্রাস পেয়েছিল।
এদিকে দেশের বাজারে রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৫ হাজার ২৪৯ টাকায়।
এছাড়া ২১ ক্যারেটের রুপা ৫ হাজার ১৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের রুপা ৪ হাজার ২৫৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা ৩ হাজার ২০৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
চলতি বছরে এখন পর্যন্ত রুপার দাম ৪৭ বার সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৪ বার দাম বেড়েছে এবং ২৩ বার কমেছে। ২০২৫ সালে রুপার দাম মোট ১৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল, যার মধ্যে ১০ বার দাম বৃদ্ধি এবং ৩ বার হ্রাস পেয়েছিল।