ভারত-বাংলাদেশজুড়ে ছিল জিয়াউলের কিলিং নেটওয়ার্ক: চিফ প্রসিকিউটর

অনলাইন ডেস্ক

আইন-আদালত

ভারত ও বাংলাদেশজুড়ে মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের একটি কিলিং নেটওয়ার্ক ছিল বলে মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর

2026-06-21T16:16:59+00:00
2026-06-21T16:23:04+00:00
  সোমবার, ২২ জুন ২০২৬,
৮ আষাঢ় ১৪৩৩
 
সোমবার, ২২ জুন ২০২৬
আইন-আদালত
ভারত-বাংলাদেশজুড়ে ছিল জিয়াউলের কিলিং নেটওয়ার্ক: চিফ প্রসিকিউটর
অনলাইন ডেস্ক
রোববার, ২১ জুন, ২০২৬, ৪:১৬ পিএম  আপডেট: ২১.০৬.২০২৬ ৪:২৩ পিএম
সংগৃহীত ছবি
ভারত ও বাংলাদেশজুড়ে মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের একটি কিলিং নেটওয়ার্ক ছিল বলে মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম।

রোববার (২১ জুন) দুপুরে ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সংঘটিত শতাধিক গুম ও হত্যাকাণ্ডসংক্রান্ত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জিয়াউলের বিরুদ্ধে আজ একজন সেনা কর্মকর্তা গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষ্য দিয়েছেন। তার সাক্ষ্যগ্রহণ এখনও চলমান রয়েছে। ট্রাইব্যুনালের সামনে তিনি বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য তুলে ধরেছেন, যার মধ্যে অন্যতম ছিল ‘জাফলং অপারেশন’।

আমিনুল ইসলাম জানান, র‍্যাবের টিএফআই সেল থেকে দুই আসামিকে নিয়ে জিয়াউল আহসানের নেতৃত্বে সাক্ষীসহ কয়েকজন সেনা কর্মকর্তা জাফলংয়ে যান। সেখানে পৌঁছানোর পর ভারত থেকে আসা সাদা পোশাকধারী কিছু ব্যক্তি আরও দুই আসামিকে নিয়ে আসেন। পরে আসামিদের বিনিময়ের মাধ্যমে তাদের হস্তান্তর করা হয়।

সাক্ষীর বর্ণনা তুলে ধরে তিনি বলেন, ভারত থেকে আনা ওই দুই ব্যক্তিকে রাস্তায় মাথায় গুলি করে হত্যা করেন জিয়াউল আহসান। এভাবেই তিনি হত্যাকাণ্ড পরিচালনা করতেন। ভারতের দিক থেকে আনা ব্যক্তিদের জিয়াউলের অনুসারীরাই নিয়ে আসতেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তারা কোনো দল বা বাহিনীর সদস্য হতে পারেন। অর্থাৎ, জিয়াউল আহসানের এই কিলিং নেটওয়ার্ক ভারত ও বাংলাদেশ—উভয় দেশেই বিস্তৃত ছিল। তবে ভারত থেকে আনা এবং হস্তান্তর করা ওই দুই ব্যক্তি ভারতীয় নাকি বাংলাদেশি নাগরিক ছিলেন, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, বিডিআরের বিভিন্ন সদস্যকে আটক করে জিয়াউল আহসান দুটি পদ্ধতিতে হত্যা করতেন। কারও শরীরে ইনজেকশন প্রয়োগ করে, আবার কাউকে মাথায় গুলি করে হত্যার পর মরদেহ নদীতে ফেলে দেওয়া হতো। সাক্ষীর দাবি অনুযায়ী, এভাবে প্রায় ১০ থেকে ১২ জন বিডিআর সদস্যকে হত্যা করা হয়েছে।



Loading...
Loading...

আইন-আদালত- এর আরো খবর

Loading...
Loading...
© 2026 Daily Daily Bhorer Dak
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে.এম. বেলায়েত হোসেন
৪-ডি, মেহেরবা প্লাজা, ৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত এবং মনিরামপুর প্রিন্টিং প্রেস ৭৬/এ নয়াপল্টন, ঢাকা থেকে মুদ্রিত। পিএবিএক্স: ৪১০৫২২৪৫, ৪১০৫২২৪৬, ০১৭৭৫-৩৭১১৬৭, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন: ৪১০৫২২৫৮
ই-মেইল : [email protected], [email protected]
ফলো করুন: