যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের ফের পাল্টাপাল্টি হামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক

হরমুজ প্রণালির দিকে ধেয়ে আসা ইরানের চারটি আত্মঘাতী ড্রোন বা ওয়ান-ওয়ে অ্যাটাক ড্রোনকে গুলি করে ভূপাতিত করার দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের

2026-06-06T10:44:08+00:00
2026-06-06T10:44:08+00:00
  রবিবার, ৭ জুন ২০২৬,
২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
 
  ই-পেপার   
           
রবিবার, ৭ জুন ২০২৬
আন্তর্জাতিক
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের ফের পাল্টাপাল্টি হামলা
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬, ১০:৪৪ এএম 
সংগৃহীত ছবি
হরমুজ প্রণালির দিকে ধেয়ে আসা ইরানের চারটি আত্মঘাতী ড্রোন বা ওয়ান-ওয়ে অ্যাটাক ড্রোনকে গুলি করে ভূপাতিত করার দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী।

তাদের ভাষ্য, এসব ড্রোন আঞ্চলিক সামুদ্রিক যাতায়াতের জন্য তাৎক্ষণিক হুমকি তৈরি করেছিল।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, পরবর্তী হামলা প্রতিরোধ করতে যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী পরবর্তীতে গোরুক এবং কেশম দ্বীপে অবস্থিত ইরানের উপকূলীয় নজরদারি রাডার স্থাপনাগুলোতে আঘাত হেনেছে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ইরিবের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এর জবাবে ইরান কুয়েতে অবস্থিত দুটি মার্কিন বিমান ঘাঁটি এবং বাহরাইনে মার্কিন নৌবাহিনীর স্থাপনা লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে।

সেন্টকম জানিয়েছে, প্রাথমিক মূল্যায়ন অনুযায়ী উপসাগরীয় দুই দেশে ছোঁড়া ইরানের সাতটি ক্ষেপণাস্ত্রের মধ্যে ছয়টি প্রতিহত করা হয়েছে এবং একটি লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়েছে।

বিবিসি লিখেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কয়েকদিন আগে ঘটে যাওয়া পাল্টাপাল্টি হামলার পর এ ঘটনা ঘটল, যা দুই দেশের মধ্যকার নড়বড়ে যুদ্ধবিরতিকে হুমকির মুখে ফেলেছে।

স্থানীয় কর্মকর্তাদের ভাষ্য, গত বুধবার কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ‘ইরানের ড্রোন’ হামলায় একজন নিহত এবং ৬০ জনেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন।

ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) বিমানবন্দর হামলায় তাদের সম্পৃক্ততার কথা অস্বীকার করেছে। তাদের দাবি, মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধ ব্যবস্থার ত্রুটির কারণে এ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

এই দাবিকে মিথ্যা বলে উড়িয়ে দিয়ে সেন্টকম বলেছে, ইরান ‘পরিকল্পিতভাবে, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং অন্যায়ভাবে’ বিমানবন্দরে এই হামলা চালিয়েছে।

এর আগে আইআরজিসি জানিয়েছিল, ইরানের একটি তেলবাহী ট্যাংকার এবং কেশম দ্বীপে মার্কিন হামলার প্রতিশোধ নিতে তারা উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করেছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি আলোচনা স্থবির হয়ে পড়া এবং যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে প্রস্তাবিত চুক্তি এগিয়ে নিতে ব্যর্থ হওয়ার প্রেক্ষাপটে এসব হামলা হলো।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানজুড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ব্যাপক বিমান হামলার পর পশ্চিম এশিয়াজুড়ে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ে।

জবাবে ইরান ইসরায়েল এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলোতে পাল্টা হামলা চালায়। একই সাথে তারা হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ করে দেয়, যা দিয়ে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) পরিবহন হয়ে থাকে। ইরানের এই পদক্ষেপের ফলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম নাটকীয়ভাবে বৃদ্ধি পায়।

এপ্রিলের শুরুতে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি সই হওয়ার পরপরই ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র ।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, একটি চুক্তি চূড়ান্ত, অনুমোদিত এবং স্বাক্ষরিত না হওয়া পর্যন্ত এই অবরোধ সম্পূর্ণ কার্যকর ও বলবৎ থাকবে।


Loading...
Loading...

আন্তর্জাতিক- এর আরো খবর

Loading...
Loading...
© 2026 Daily Daily Bhorer Dak
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে.এম. বেলায়েত হোসেন
৪-ডি, মেহেরবা প্লাজা, ৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত এবং মনিরামপুর প্রিন্টিং প্রেস ৭৬/এ নয়াপল্টন, ঢাকা থেকে মুদ্রিত। পিএবিএক্স: ৪১০৫২২৪৫, ৪১০৫২২৪৬, ০১৭৭৫-৩৭১১৬৭, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন: ৪১০৫২২৫৮
ই-মেইল : [email protected], [email protected]
ফলো করুন: