ভারতের গোয়ালিয়র শহরে ঘটেছে অবাক করা এক বিয়ের প্রতারণা। যেখানে নববধূর ‘ভাই’ পরিচয়ে বিয়ের পুরো আয়োজন সামলেছেন তারই আসল স্বামী। পরে মোবাইলের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট থেকে বেরিয়ে আসে চাঞ্চল্যকর সত্য।
স্থানীয় বাসিন্দা রতন শর্মা দীর্ঘদিন ধরে নিজের ও ভাইদের জন্য পাত্রী খুঁজছিলেন। এ সময় প্রতিবেশীর মাধ্যমে পরিচয় হয় সোনু ওরফে অজয় চৌহানের সঙ্গে। তিনি নিজেকে এক দরিদ্র মেয়ের ভাই পরিচয় দিয়ে রাধা ওরফে দীক্ষা মুদগলের বিয়ের প্রস্তাব দেন।
পরিবার মেয়েকে পছন্দ করলে গত ৭ মে হিন্দু রীতিতে জাঁকজমকপূর্ণ বিয়ে সম্পন্ন হয়। বিয়েতে বরপক্ষের কয়েক লাখ রুপি খরচ হয়েছে বলেও জানা যায়।
কিন্তু বিয়ের পর থেকেই নববধূর আচরণে সন্দেহ দেখা দেয়। এক রাতে তার ফোন ঘেঁটে রতন শর্মা জানতে পারেন, ‘ভাই’ পরিচয়ে যিনি বিয়েতে উপস্থিত ছিলেন, তিনিই আসলে ওই নারীর স্বামী।
তদন্তে আরও জানা যায়, দীক্ষা ও অজয় ২০২৪ সালেই আগ্রার একটি আর্য সমাজ মন্দিরে বিয়ে করেছিলেন এবং স্বামী-স্ত্রী হিসেবে বসবাস করছিলেন।
পরিবারের অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে এই বিয়ের নাটক সাজিয়ে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। ঘটনায় নারীসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। একজনকে আটক করেছে পুলিশ, বাকিদের খুঁজছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।