মুরগির বাজারে অস্বস্তি, চাল-সবজিতে কিছুটা স্বস্তি

অনলাইন ডেস্ক

বাণিজ্য

রাজধানীর বাজারে সপ্তাহের ব্যবধানে আবারও মুরগির দামে ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে। তবে একই সময়ে চালের বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। দানাদার পণ্যের

2026-07-03T11:56:23+00:00
2026-07-03T11:58:48+00:00
  শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬,
১৯ আষাঢ় ১৪৩৩
 
শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬
বাণিজ্য
মুরগির বাজারে অস্বস্তি, চাল-সবজিতে কিছুটা স্বস্তি
অনলাইন ডেস্ক
শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬, ১১:৫৬ এএম  আপডেট: ০৩.০৭.২০২৬ ১১:৫৮ এএম
ছবি: ভোরের ডাক
রাজধানীর বাজারে সপ্তাহের ব্যবধানে আবারও মুরগির দামে ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে। তবে একই সময়ে চালের বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। দানাদার পণ্যের বাজারে বড় কোনো পরিবর্তন না থাকলেও সবজির দামও প্রায় স্থিতিশীল রয়েছে।

শুক্রবার (৩ জুলাই) রাজধানীর কারওয়ান বাজারসহ আশপাশের কয়েকটি বাজার ঘুরে এমন চিত্র পাওয়া যায়।

সপ্তাহের ব্যবধানে ব্রয়লার ও সোনালি মুরগির দাম কেজিতে ২০ টাকা করে বেড়েছে। বর্তমানে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ১৮০ থেকে ১৯০ টাকায়। সোনালি মুরগির দাম ৩৪০ টাকা এবং লেয়ার মুরগিও একই দামে বিক্রি হচ্ছে।

দাম বাড়ায় কিছুটা অস্বস্তিতে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা। বাজার করতে আসা আবদুল কাদের বলেন, ‘মুরগি এখন মধ্যবিত্তের প্রধান আমিষ। কিন্তু প্রতি সপ্তাহেই যদি ২০-৩০ টাকা করে দাম বাড়ে, তাহলে সংসার চালানো কঠিন হয়ে যায়।’

অন্যদিকে বিক্রেতারা বলছেন, খামার পর্যায়ে সরবরাহ কমে যাওয়ায় পাইকারি বাজারেই দাম বেড়েছে, যার প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারে। মুরগি বিক্রেতা মো. দিদার বলেন, ‘খামার থেকেই বেশি দামে মুরগি কিনতে হচ্ছে, তাই বাধ্য হয়েই খুচরা দাম বাড়াতে হচ্ছে।’

এদিকে চালের বাজারে কিছুটা স্বস্তি মিলেছে। সপ্তাহের ব্যবধানে প্রায় সব ধরনের চালের দাম কেজিতে প্রায় ২ টাকা পর্যন্ত কমেছে। বর্তমানে মিনিকেট চাল বিক্রি হচ্ছে ৬৮ থেকে ৭০ টাকায়, যা গত সপ্তাহে ছিল ৭০ থেকে ৭২ টাকা। আটাশ চাল বিক্রি হচ্ছে ৪৮ থেকে ৫০ টাকায়, যা আগে ছিল ৫০ থেকে ৫২ টাকা।

চাল ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাজারে সরবরাহ বাড়তে শুরু করায় দাম কিছুটা কমেছে। এই ধারা অব্যাহত থাকলে খুচরা বাজারেও আরও ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

সবজির বাজারেও তুলনামূলক স্থিতিশীলতা দেখা গেছে। বেশিরভাগ সবজি ৪০ থেকে ৫০ টাকার মধ্যেই বিক্রি হচ্ছে। বর্তমানে বেগুন ৭০-৮০ টাকা, করলা ৫০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ৪০ টাকা, কাঁকরোল ৫০-৬০ টাকা, পেঁপে ৪০ টাকা, কচু ৫০ টাকা, শসা ৬০ টাকা, ঝিঙে ৫০ টাকা এবং পটল ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আলু ২৫ টাকা এবং পেঁয়াজ ৪০-৪৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। প্রতি পিস লাউ বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায়।

সবজি বিক্রেতা আনিস মিয়া বলেন, ‘এখন বাজারে সরবরাহ ভালো। তাই দাম বেশিরভাগই ৪০–৫০ টাকার মধ্যেই রয়েছে। আবহাওয়া ভালো থাকলে সামনে আরও কমতে পারে।’

অন্যদিকে মাছের বাজারে দেশীয় মাছের দাম মোটামুটি স্থিতিশীল থাকলেও ইলিশের দাম এখনো চড়া। চাষের কৈ ১৮০ টাকা, কাতলা ৪০০ টাকা, পাবদা ৪০০ টাকা এবং টেংরা ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

ইলিশের বাজারে এক কেজি ওজনের মাছ বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৮০০ টাকা কেজিতে। দেড় কেজি ওজনের বড় ইলিশের দাম কেজিপ্রতি ৩ হাজার ৫০০ টাকা পর্যন্ত পৌঁছেছে।

মাছ বিক্রেতারা বলছেন, বড় ইলিশের সরবরাহ সীমিত থাকায় দাম এখনো বেশি। চাহিদা থাকলেও পর্যাপ্ত বড় মাছ না আসায় বাজারে এই চড়া দাম বজায় রয়েছে।


  বিষয়:   রাজধানী  মুরগি  চাল  সবজি 


Loading...
Loading...

বাণিজ্য- এর আরো খবর

Loading...
Loading...
© 2026 Daily Daily Bhorer Dak
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে.এম. বেলায়েত হোসেন
৪-ডি, মেহেরবা প্লাজা, ৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত এবং মনিরামপুর প্রিন্টিং প্রেস ৭৬/এ নয়াপল্টন, ঢাকা থেকে মুদ্রিত। পিএবিএক্স: ৪১০৫২২৪৫, ৪১০৫২২৪৬, ০১৭৭৫-৩৭১১৬৭, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন: ৪১০৫২২৫৮
ই-মেইল : [email protected], [email protected]
ফলো করুন: