দীর্ঘ ১৫ বছর পর ওয়ানডে সিরিজ খেলতে বাংলাদেশে এসেছে অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দল। তিন ম্যাচের ওয়ানডে ও তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে শুক্রবার বিকেলে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায় সফরকারী দল।
বাংলাদেশের মাটিতে সর্বশেষ ২০১১ সালে ওয়ানডে সিরিজ খেলেছিল অস্ট্রেলিয়া। সেবার মাইকেল ক্লার্কের নেতৃত্বে অজিরা ৩-০ ব্যবধানে হারিয়েছিল সাকিব আল হাসানের বাংলাদেশকে। এর আগে ২০০৬ সালেও রিকি পন্টিংয়ের নেতৃত্বে একই ব্যবধানে সিরিজ জিতেছিল অস্ট্রেলিয়া।
আসন্ন সিরিজে দুই দলের মধ্যে তিনটি ওয়ানডে ও তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। যদিও অস্ট্রেলিয়ার স্কোয়াডে নেই দলের কয়েকজন অভিজ্ঞ তারকা ক্রিকেটার। পেস ত্রয়ী মিচেল স্টার্ক, প্যাট কামিন্স ও জশ হ্যাজেলউডকে ছাড়াই বাংলাদেশ সফরে এসেছে তারা। তবে শক্তিশালী স্কোয়াড নিয়ে মাঠে নামবে অস্ট্রেলিয়া।
অন্যদিকে প্রথম দুই ওয়ানডের জন্য দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। ঘোষিত দলে সবচেয়ে বড় চমক ব্যাটিং অলরাউন্ডার মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। প্রায় সাড়ে তিন বছর পর জাতীয় দলে ফিরেছেন তিনি। তবে দলে জায়গা হয়নি আফিফ হোসেন ও মাহিদুল ইসলাম অঙ্কনের।
শনিবার থেকে মিরপুরের শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুশীলন শুরু করবে দুই দল। সিরিজের প্রথম ওয়ানডে মাঠে গড়াবে ৯ জুন। দ্বিতীয় ও তৃতীয় ওয়ানডে অনুষ্ঠিত হবে যথাক্রমে ১১ ও ১৪ জুন।
ওয়ানডে সিরিজ শেষে চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হবে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ। ম্যাচগুলো হবে ১৭, ১৯ ও ২১ জুন। দীর্ঘদিন পর দুই দলের এই সাদা বলের লড়াই ঘিরে ইতোমধ্যেই ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে তৈরি হয়েছে ব্যাপক আগ্রহ।