যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাড়তে থাকা উত্তেজনার মধ্যে সম্ভাব্য আগ্রাসনের আশঙ্কায় প্রস্তুতি জোরদার করছে কিউবা। রাজধানী হাভানাসহ বিভিন্ন এলাকায় সরকারি প্রতিষ্ঠান ও সাধারণ নাগরিকদের জরুরি প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
যদিও এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো সামরিক অভিযানের ঘোষণা দেয়নি, তবুও সাম্প্রতিক কূটনৈতিক চাপ ও নিষেধাজ্ঞাকে ঘিরে দুই দেশের সম্পর্ক আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।
সম্প্রতি জন র্যাটক্লিফ-এর হাভানা সফর নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে। কিউবার কর্মকর্তারা সফরের সময় যুক্তরাষ্ট্রকে বোঝানোর চেষ্টা করেন যে, তাদের দেশ ওয়াশিংটনের জন্য কোনো হুমকি নয়। তবে মার্কিন পক্ষ কিউবার বিরুদ্ধে রাশিয়া ও চীনের গোয়েন্দা কার্যক্রমে সহযোগিতার অভিযোগ তুলেছে।
এদিকে কিউবার সাবেক প্রেসিডেন্ট রাউল কাস্ত্রো-এর বিরুদ্ধে সম্ভাব্য মার্কিন অভিযোগের খবর পরিস্থিতিকে আরও উত্তেজনাপূর্ণ করে তুলেছে। কিউবার কর্মকর্তাদের মতে, এমন পদক্ষেপ দুই দেশের সম্পর্ককে চরম সংকটে ফেলতে পারে।
কিউবার প্রেসিডেন্ট মিগুয়েল দিয়াজ-কানেল বলেছেন, দেশের বিপ্লব ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তারা সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করতেও প্রস্তুত। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে সাধারণ নাগরিকদের সামরিক প্রশিক্ষণের ছবিও প্রকাশ করা হয়েছে।
অন্যদিকে দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক সংকট, খাদ্য ঘাটতি ও বিদ্যুৎ সমস্যায় সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বেড়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, চলমান উত্তেজনা আরও বাড়লে কিউবায় রাজনৈতিক ও সামাজিক অস্থিরতাও তীব্র হতে পারে।