বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, জনগণের ভাগ্য বদলাতে ‘ধানের শীষ’ মার্কায় ভোট দিন। দেশকে যদি বাঁচাতে হয়, তবে ইনশাআল্লাহ আগামী মাসের ১২ তারিখে যে নির্বাচন হতে যাচ্ছে, সেখানে আমাদের জয়ী হতে হবে। এই দেশের বহু মানুষ গণতন্ত্রের জন্য বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়েছে, বহু মানুষ গুম ও খুনের শিকার হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে মৌলভীবাজার এলাকার আইনপুরে নির্বাচনী পথসভায় এসব কথা বলেন তিনি।
এসময় কোনো রাজনৈতিক দলের নাম উল্লেখ না করে বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, আমি অন্তর্বর্তী সরকারকে, এই সরকারের প্রধান ড. ইউনূসকে অনুরোধ করবো তাদের প্রটোকল তিনগুণ বাড়িয়ে দিন।
তারেক রহমান বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধানকে, এই সরকারের উপদেষ্টাদের অনুরোধ করব বিএনপির পক্ষ থেকে, লাখো জনতার পক্ষ থেকে... তাদের প্রটোকল দরকার হলে তিন ডাবল করে দেন। কারণ তারা মানুষকে বিভ্রান্ত করছে এবং মানুষ এটা জানতে পেরেছে।
তিনি আরও বলেন, মানুষ তাদের ওপর ক্ষিপ্ত হচ্ছে। আমরা চাই না মানুষ ক্ষিপ্ত হয়ে তাদের কিছু করে বসুক। সেজন্য সরকারের কাছে অনুরোধ থাকবে তাদের প্রটোকল তিনগুণ করে দেন। বিএনপিকে যা নিরাপত্তা দিয়েছেন, তার তিন গুণ করে দিন তাদের।
তিনি আরও বলেন, সেই নির্বাচনের মাধ্যমে যদি আমরা দেশে গণতন্ত্রের সূচনা করতে চাই এবং একই সাথে মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটাতে চাই, তবে কোথায় সিল মারতে হবে? ধানের শীষেই আমাদেরকে সিল মারতে হবে।
দেশ পুনর্গঠনে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে’- দেশবাসীর প্রতি এমন আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বিএনপির অঙ্গীকারের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “আমাদেরকে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া চালু করতে হবে, দেশে মানুষের কথা বলার অধিকার ফিরিয়ে দিতে হবে। একমাত্র কোন দল এই নিশ্চয়তা দিতে পারে? ধানের শীষই পারে সেই নিশ্চয়তা দিতে। এখানে বহু মুরুব্বি উপস্থিত আছেন; আপনারা সাক্ষী, যখনই ধানের শীষ দেশ পরিচালনার দায়িত্বে ছিল, তখন পৌরসভা বা ইউনিয়ন পরিষদ— সব নির্বাচনই আল্লাহর রহমতে মোটামুটি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, যখন ধানের শীষ ক্ষমতায় ছিল, প্রত্যেকটি মানুষ মন খুলে কথা বলতে পেরেছে, সরকারের সমালোচনা করতে পেরেছে। সরকারের কোনো ভুল হলে মানুষ তা নির্দ্বিধায় বলতে পেরেছে। তখন কোনো মানুষকে গুম বা খুনের শিকার হতে হয়নি।