জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নতুন কমিটিতে পদাবনতি হয়েছে দলটির নেত্রী সামান্তা শারমিনের। এতদিন তিনি দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করলেও শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) ঘোষিত নতুন কমিটিতে তাঁকে শুধু যুগ্ম আহ্বায়ক পদে রাখা হয়েছে।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা সামান্তা শারমিন এনসিপির পরিচিত নেত্রীদের একজন। নতুন কমিটিতে তাঁর পদ পরিবর্তনের বিষয়টি দলটির সাংগঠনিক কাঠামোয় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে।
গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুক্রবার এনসিপির ১৯৫ সদস্যের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়। এতে দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের পদ-পদবিতে পরিবর্তন এসেছে। নতুন কমিটিতে সামান্তা শারমিনকে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়কের পরিবর্তে যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে এনসিপির জোট গঠনের পর সামান্তা শারমিন কিছুটা নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে তিনি দল ত্যাগ করেননি।
যুগ্ম আহ্বায়ক পদে আরও যারা
নতুন কমিটিতে যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল আমিন, আরিফুল ইসলাম আদীব, ড. আতিক মুজাহিদ, আব্দুল হান্নান মাসউদ, আলী আহসান জুনায়েদ, সারোয়ার তুষার, আকরাম হুসাইন, সালেহ উদ্দিন সিফাত, ডা. মাহমুদা আলম মিতু, নুসরাত তাবাসসুম, মনিরা শারমিন, ব্যারিস্টার সানি আব্দুল হক, মাহবুব আলম, অ্যাডভোকেট মুজাহিদুল ইসলাম শাহীন, মাওলানা আশরাফ মাহাদী, সুলতান মোহাম্মদ জাকারিয়া, জাবেদ রাসিন, এহতেশাম হক, দিলশানা পারুল, প্রীতম দাশ, ইসহাক সরকার, তারেক এ আদেল ও এ.কে. ফ্লোরা।
নতুন কমিটির মাধ্যমে এনসিপির সাংগঠনিক দায়িত্ব বণ্টনে পরিবর্তন এসেছে। তবে সামান্তা শারমিনের পদ পরিবর্তনের বিষয়ে দলীয়ভাবে কোনো নির্দিষ্ট ব্যাখ্যা বা আনুষ্ঠানিক কারণ জানানো হয়েছে কি না, তা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।