পাইকগাছায় জমজমাট কাঁচা সুপারির হাট, কমেছে দাম

পাইকগাছা (খুলনা) সংবাদদাতা

সারাদেশ

খুলনার পাইকগাছায় জমে উঠেছে কাঁচা সুপারির বেচাকেনা। উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে চলছে সুপারি কেনাবেচার ব্যস্ততা। তবে গত বছরের তুলনায় এ বছর

2026-10-18T19:08:06+00:00
2026-10-18T19:08:06+00:00
  রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬,
২ কার্তিক ১৪৩৩
 
রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
সারাদেশ
পাইকগাছায় জমজমাট কাঁচা সুপারির হাট, কমেছে দাম
পাইকগাছা (খুলনা) সংবাদদাতা
রোববার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:০৮ পিএম 
সংগৃহীত ছবি
খুলনার পাইকগাছায় জমে উঠেছে কাঁচা সুপারির বেচাকেনা। উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে চলছে সুপারি কেনাবেচার ব্যস্ততা। তবে গত বছরের তুলনায় এ বছর ফলন কিছুটা কম হওয়ায় বাজারে সুপারির সরবরাহও কম। মৌসুমের শুরুতে দাম বেশি থাকলেও বর্তমানে তা কমে এসেছে।

উপজেলার সবচেয়ে বড় সুপারির হাট বসে গদাইপুর বাজারে। এ ছাড়া আগড়ঘাটা, বাঁকা, নতুন বাজার ও কপিলমুনিসহ বিভিন্ন হাট-বাজারে সুপারি কেনাবেচা হচ্ছে। অক্টোবর ও নভেম্বর মাস সুপারির ভরা মৌসুম হওয়ায় বাগানমালিক, পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীদের ব্যস্ততা বেড়েছে।

স্থানীয় বাগানমালিক ও ব্যবসায়ীরা জানান, মৌসুমের শুরুতে প্রতি কুড়ি সুপারি ৪০০ থেকে ৫০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। বর্তমানে তা কমে ২৫০ থেকে ৩০০ টাকায় নেমেছে। এ বছর ফলন ও বাজারে সুপারির পরিমাণ—দুটিই তুলনামূলক কম। ফলে প্রত্যাশিত দাম না পেয়ে হতাশ অনেক বাগানমালিক।

গদাইপুর গ্রামের সুপারি বাগানমালিক শফিকুল ইসলাম বলেন, এ বছর সুপারির ফলন খুব একটা ভালো হয়নি। একই সঙ্গে বাজারদরও আশানুরূপ নয়।

স্থানীয় ব্যবসায়ী সিরাজুল ইসলামসহ অন্য ব্যবসায়ীরা জানান, বাজারে সুপারির দাম ওঠানামা করছে। তাঁরা স্থানীয় হাট-বাজার থেকে পাইকারি দরে সুপারি কিনে বড়দল, সোলাদানা ও শাঁতাসহ আশপাশের বিভিন্ন হাট-বাজারের আড়তে বিক্রি করেন। কিছু ব্যবসায়ী সুপারি কিনে গুদামজাতও করছেন। পরে এসব সুপারি শুকিয়ে অথবা পানিতে ভিজিয়ে সংরক্ষণ করে বিক্রি করা হবে।

উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, পাইকগাছায় প্রায় ৪০ হেক্টর জমিতে সুপারি বাগান রয়েছে। এসব বাগানে গাছের সংখ্যা প্রায় ৪০ হাজার ৪০০। গাছপ্রতি দুই থেকে চার কাঁদি সুপারি ধরে। কোনো কোনো গাছে ৫০ থেকে ১৫০টি সুপারি পাওয়া যায়, আবার কোনো গাছে ফলন হয় ৫০০ থেকে ৬০০টি পর্যন্ত।

উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার মধ্যে গদাইপুর, হরিঢালী, কপিলমুনি ও রাড়ুলী এলাকায় সুপারি গাছের সংখ্যা বেশি। চাঁদখালী ও পৌরসভার কিছু এলাকায়ও সুপারি গাছ রয়েছে। তবে অন্য ইউনিয়নগুলোতে সুপারি গাছের সংখ্যা খুবই কম।

পাইকগাছা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. একরামুল হোসেন বলেন, সুপারি এ অঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থকরী ফসল। এখানকার সুপারির মানও ভালো। তবে পুরোনো লম্বা সুপারি গাছ মরে যাওয়া কিংবা কেটে ফেলার কারণে নতুন বাগান তেমন গড়ে উঠছে না। এ কারণে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে নতুন সুপারি বাগান গড়ে তুলতে বাগানমালিক ও কৃষকদের উৎসাহিত করা হচ্ছে।


Loading...
Loading...

সারাদেশ- এর আরো খবর

Loading...
Loading...
© 2026 Daily Daily Bhorer Dak
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে.এম. বেলায়েত হোসেন
৪-ডি, মেহেরবা প্লাজা, ৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত এবং মনিরামপুর প্রিন্টিং প্রেস ৭৬/এ নয়াপল্টন, ঢাকা থেকে মুদ্রিত। পিএবিএক্স: ৪১০৫২২৪৫, ৪১০৫২২৪৬, ০১৭৭৫-৩৭১১৬৭, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন: ৪১০৫২২৫৮
ই-মেইল : [email protected], [email protected]
ফলো করুন: