ভারতে অবস্থানরত ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিনজনকে দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়টি ভারতের সঙ্গে আসন্ন পঞ্চম কনস্যুলার সংলাপে জোরালোভাবে তুলে ধরবে বাংলাদেশ। অন্য দুজন হলেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং শরীফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলার অভিযুক্ত ফয়সাল।
কূটনৈতিক সূত্রের বরাতে জানা গেছে, দুই দেশের মধ্যে এ সংলাপ অক্টোবরের শেষদিকে আয়োজনের প্রস্তাব দিয়েছিল বাংলাদেশ। তবে দুর্গাপূজার কারণে নভেম্বরের শুরুতে বৈঠকটি আয়োজনের আগ্রহ প্রকাশ করেছে ভারত।
ঢাকায় মহাপরিচালক পর্যায়ে অনুষ্ঠেয় এ সংলাপে দ্বিপক্ষীয় বিভিন্ন বিষয়ের পাশাপাশি তিনজনকে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রশ্নটি বিশেষ গুরুত্ব পাবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফরের আগেই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্কের বর্তমান প্রেক্ষাপটে আসন্ন এ সংলাপকে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে প্রত্যর্পণের বিষয়ে ভারতের অবস্থান এবং আলোচনার অগ্রগতি দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে প্রভাব ফেলতে পারে।
এর আগে ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে কূটনৈতিক নোটের মাধ্যমে শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরত পাঠানোর অনুরোধ জানিয়েছিল বাংলাদেশ। পরবর্তী সময়ে সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালের রায় ঘোষণার পরও তাঁর প্রত্যর্পণের বিষয়ে ভারতকে নতুন করে অনুরোধ জানানো হয়।
আসন্ন সংলাপে এ বিষয়টি পুনরায় জোরালোভাবে উত্থাপনের মাধ্যমে প্রত্যর্পণ প্রশ্নে বাংলাদেশের অবস্থান স্পষ্ট করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
তবে তিনজনকে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে ভারত কী অবস্থান নেয় এবং এ নিয়ে আলোচনায় কী অগ্রগতি হয়, তা জানতে সংলাপের ফলাফলের দিকে নজর থাকবে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট মহলের।