কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার কৈয়ারবিল ইউনিয়নের খোজাখালী জলদাশ পাড়ায় ৩০ বছরেরও বেশি পুরোনো বিষ্ণু মন্দিরের সংস্কারকাজ সম্পন্ন হয়েছে। দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসনে মন্দির প্রাঙ্গণে মাটি ভরাট ও ঢালাইয়ের কাজ শেষ হওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে এলাকার ১ হাজার ৪০০-এর বেশি সনাতন ধর্মাবলম্বীর মধ্যে। দুর্গাপূজার মাত্র তিন দিন আগে কাজ শেষ হওয়ায় এবার নির্বিঘ্নে পূজা-অর্চনা আয়োজনের আশা করছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিচু স্থানে অবস্থিত মন্দির প্রাঙ্গণে দীর্ঘদিন ধরে পানি জমে থাকত। এতে গত এক বছরেরও বেশি সময় ধরে পূজা-অর্চনা ও বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠান আয়োজন ব্যাহত হচ্ছিল। বিষয়টি সমাধানে কৈয়ারবিল ইউনিয়ন পরিষদের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আকতার আহমদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে আবেদন করেন। পরে তাঁর উদ্যোগে দুর্গাপূজার আগে মন্দিরের সংস্কারকাজ সম্পন্ন হয়।
সংস্কারকাজে সহযোগিতা করেন কৈয়ারবিল ইউনিয়ন বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
ইউপি সদস্য আকতার আহমদ বলেন, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার ধর্মীয় অধিকার নিশ্চিত করা এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা সবার দায়িত্ব। এলাকার মানুষ যেন নির্বিঘ্নে ধর্মীয় উৎসব পালন করতে পারেন, সে লক্ষ্যেই মন্দির সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মন্দির সংস্কারের উদ্যোগে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন দুর্গাপূজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক সুমন বাপ্পিসহ স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের আশা, জলাবদ্ধতা দূর হওয়ায় এখন থেকে মন্দিরে পূজা-অর্চনা ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান আয়োজনে আর আগের মতো ভোগান্তি পোহাতে হবে না।