রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (রামেবি) উপাচার্য ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের হেনস্তার ঘটনায় জড়িতদের ‘রাষ্ট্র ও জনগণের শত্রু’ আখ্যা দিয়েছেন ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু। তিনি বলেছেন, অপরাধীদের কোনো দলীয় পরিচয় নেই। এ ঘটনায় জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) রাতে রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কার্যালয় পরিদর্শন ও উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মোহা. জাওয়াদুল হকের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে এসব কথা বলেন ভূমিমন্ত্রী।
এ সময় উপাচার্যকে তাঁর চেয়ারে সসম্মানে বসিয়ে দেন মন্ত্রী। পরে তাঁরা চা-চক্রে মিলিত হন।
মিজানুর রহমান মিনু বলেন, আমরা এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করছি। এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি দেখতে চাই না। একজন শিক্ষাবিদকে এভাবে লাঞ্ছিত করা কোনোভাবেই কাম্য নয়।
তিনি আরও বলেন, বিষয়টি শোনার পর থেকেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার জন্য নির্দেশনা দিয়েছি। কেউ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করলে তা মেনে নেওয়া হবে না। রাজশাহীতে কোনোভাবেই মব কালচার সৃষ্টি করতে দেওয়া হবে না।
বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রগতি তুলে ধরে ভূমিমন্ত্রী বলেন, রামেবির বেশ কিছু অগ্রগতি হয়েছে। হাসপাতালের অনুমোদন পাওয়া গেছে, যা পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে।
ঘটনাটি সংবাদমাধ্যমে তুলে ধরার জন্য সাংবাদিকদের ধন্যবাদও জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন বলেন, বিষয়টি জানার পর থেকেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করা হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা আর দেখতে চান না বলেও জানান তিনি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন রামেবির উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মোহা. জাওয়াদুল হক, রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন, রাজশাহী মহানগর পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির, রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ সুইটসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতারা।
এ ছাড়া রাজশাহী মহানগর যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের নেতাদের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।