বিশ্বকাপের পর নতুন চক্রের শুরুতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে ড্র করেছিল ব্রাজিল। তবে দ্বিতীয় দেখায় আর কোনো সুযোগ দেয়নি পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। দুইবার পিছিয়ে পড়েও শেষ পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়াকে ৪-২ গোলে হারিয়ে জয় তুলে নিয়েছে কার্লো আনচেলত্তির দল।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ব্রিসবেনের সানকর্প স্টেডিয়ামে আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে মুখোমুখি হয় দুই দল। ম্যাচে ব্রাজিলের হয়ে গোল করেন ভ্যান্ডারসন, রাফিনিয়া, ব্রুনো গিমারায়েস ও ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে গোল দুটি করেন আলেসান্দ্রো সিরকাটি ও কনর মেটকাফ।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে ব্রাজিল। দ্বিতীয় মিনিটেই ভ্যান্ডারসনের গোলে এগিয়ে যায় তারা। ডান দিক থেকে পাওয়া সুযোগ কাজে লাগিয়ে দারুণ ফিনিশিংয়ে বল জালে পাঠান এই ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডার।
তবে গোল হজমের পর দ্রুতই ম্যাচে ফেরে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া। ২৮ মিনিটে কর্নার থেকে পাওয়া বল কাজে লাগিয়ে সমতা ফেরান আলেসান্দ্রো সিরকাটি।
এরপর প্রথমার্ধের শেষ দিকে পেনাল্টি পায় ব্রাজিল। ডান দিক দিয়ে বক্সে ঢোকার সময় দানিলো ফাউলের শিকার হলে ভিএআরের পরামর্শে পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেন রেফারি। স্পটকিক থেকে গোল করে ব্রাজিলকে আবার এগিয়ে দেন রাফিনিয়া।
তবে বিরতির আগে আবারও ম্যাচে ফেরে অস্ট্রেলিয়া। কনর মেটকাফের গোলে স্বাগতিকরা ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। ফলে প্রথমার্ধের শেষ পর্যন্ত ব্রাজিলকে পিছিয়ে থাকতে হয়।
দ্বিতীয়ার্ধে অবশ্য ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেয় ব্রাজিল। ৬৯ মিনিটে এন্ড্রিকের বাড়ানো বল থেকে গোল করে দলকে সমতায় ফেরান ব্রুনো গিমারায়েস।
এরপর ৮০ মিনিটে আবারও পেনাল্টি পায় ব্রাজিল। এবার স্পটকিক থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। এ গোলের মাধ্যমে দীর্ঘ সময় পর জাতীয় দলের হয়ে গোলের দেখা পান রিয়াল মাদ্রিদের এই ফরোয়ার্ড।
শেষ পর্যন্ত আর কোনো গোল না হওয়ায় ৪-২ ব্যবধানের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে ব্রাজিল।
এর আগে গত ২৫ সেপ্টেম্বর প্রথম প্রীতি ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করেছিল ব্রাজিল। ফলে দুই ম্যাচের সিরিজে একটি জয় ও একটি ড্র নিয়ে অস্ট্রেলিয়া সফর শেষ করল আনচেলত্তির দল।