বেসামরিক পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা জোরদারে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন একটি কৌশলগত চুক্তি সই করেছে বাংলাদেশ।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। বাংলাদেশের পক্ষে প্রধানমন্ত্রীর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসাদ এবং যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে দেশটির অর্থনীতিবিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি জ্যাকব হেলবার্গ চুক্তিতে সই করেন।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিএনপির মিডিয়া সেল তাদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে চুক্তি সইয়ের বিষয়টি জানায়।
চুক্তির আওতায় দুই দেশের মধ্যে পারমাণবিক প্রযুক্তি ও বৈজ্ঞানিক জ্ঞান বিনিময়ের সুযোগ আরও সম্প্রসারিত হবে। পাশাপাশি পারমাণবিক নিরাপত্তা এবং বেসামরিক জ্বালানি খাতে সহযোগিতার পরিধিও বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে।
বিএনপির মিডিয়া সেলের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৮১ সালে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাসনামলে শুরু হওয়া বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র পারমাণবিক সহযোগিতা উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় নতুন এ চুক্তি করা হয়েছে।
বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা পূরণে পারমাণবিক শক্তিকে সম্ভাবনাময় একটি উৎস হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। এরই মধ্যে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের মাধ্যমে দেশে পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের অবকাঠামো গড়ে উঠছে।
নতুন চুক্তির মাধ্যমে পারমাণবিক প্রযুক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার, নিরাপত্তা এবং বেসামরিক জ্বালানি খাতে ঢাকা ও ওয়াশিংটনের মধ্যে বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতার নতুন সুযোগ তৈরি হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানানো হয়েছে।