শ্রেণিকক্ষে বসে কাঁদলেন রামিসার বাবা, কাঁদালেন সহপাঠীদেরও

অনলাইন ডেস্ক

রাজধানী

রামিসাকে কবরস্থ করে সহপাঠীদের মাঝে মেয়েকে খুঁজছেন বাবা আবদুল হান্নান মোল্লা। মিরপুরের পপুলার মডেল স্কুলে আজ বৃহস্পতিবার গিয়েছিলেন তিনি।এই স্কুলের

2026-05-21T20:24:16+00:00
2026-05-21T20:24:16+00:00
  মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬,
২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
 
  ই-পেপার   
           
মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬
রাজধানী
শ্রেণিকক্ষে বসে কাঁদলেন রামিসার বাবা, কাঁদালেন সহপাঠীদেরও
অনলাইন ডেস্ক
বৃহস্পতিবার, ২১ মে, ২০২৬, ৮:২৪ পিএম 
শিশু রামিসার সহপাঠীদের বুকে জড়িয়ে অসহায় বাবার আর্তনাদ। ছবি : সংগৃহীত
রামিসাকে কবরস্থ করে সহপাঠীদের মাঝে মেয়েকে খুঁজছেন বাবা আবদুল হান্নান মোল্লা। মিরপুরের পপুলার মডেল স্কুলে আজ বৃহস্পতিবার গিয়েছিলেন তিনি।

এই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল রামিসা। তার শ্রেণিকক্ষে গিয়ে মেয়ের সহপাঠীদের দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন আবদুল হান্নান। তার কান্না চোখে পানি এনে দেয় রামিসার ছোট্ট ছোট্ট সহপাঠীকেও। তারাও রামিসার বাবাকে ঘিরে ধরে কান্নায় ভেঙে পড়ে।

রাজধানীর পল্লবীতে ৮ বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে গত মঙ্গলবার হত্যা করা হয়। গ্রেপ্তার আসামি সোহেল রানার জবানবন্দি অনুযায়ী হত্যার আগে রামিসাকে ধর্ষণ করা হয়।

বুধবার (২০ মে)রাত ৯টার দিকে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদীখান উপজেলার ইছাপুরা ইউনিয়নের মধ্যম শিয়ালদী গ্রামে এশার নামাজ শেষে জানাজা সম্পন্ন হয়। পরে পারিবারিক কবরস্থানে দাদা-দাদির কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয় শিশু রামিসাকে।

মেয়েকে দাফন শেষে ঢাকায় ফেরেন আবদুল হান্নান মোল্লা। আজ গিয়েছিলেন মেয়ের স্কুলে। সেখানে রামিসার সহপাঠীদের সঙ্গে কিছুক্ষণ সময় কাটান তিনি।

এর আগে গতকাল এক ভিডিওতে আবদুল হান্নান মোল্লাকে বিচারব্যবস্থার ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা যায়। নিজের মেয়ে হত্যার বিচার চান না জানিয়ে তিনি বলেছিলেন, ‘আমি বিচার চাই না, কারণ আপনারা বিচার করতে পারবেন না। আপনাদের বিচার করার কোনো রেকর্ড নেই।’

তিনি বলেন, ‘আপনারা বিচার করতে পারবেন না। আমার মেয়েও আর ফিরে আসবে না। আপনাদের বিচারের কোনো উদাহরণ নেই। এটা বড়জোর ১৫ দিন চলবে, আবার কোনো ঘটনা ঘটবে। এরপর এটা ধামাচাপা পড়ে যাবে।’

রামিসা হত্যাকাণ্ডে মামলা করেছেন তার বাবা। ঘটনার দিন সন্ধ্যায় সোহেল রানাকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরদিন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাঈদের আদালতে তিনি ধর্ষণ-হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

এ ছাড়া ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে ঢাকার আরেক মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আশরাফুল হকের আদালত কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। 

সোহেল রানাকে জিজ্ঞাসাবাদের সঙ্গে জড়িত পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার সময়ে ঘরের একটি কক্ষে স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটকে রেখেছিলেন সোহেল। পরে মরদেহ টুকরা করে গুম করার প্রস্তুতির সময় রামিসার স্বজন ও প্রতিবেশীরা দরজা ভেঙে ঘরের ভেতরে ঢুকে পড়েন। এসময় জানালার গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যান সোহেল ও তার আরেক সঙ্গী। স্বপ্নাকে তাৎক্ষণিক আটক করে স্থানীয়রা।


  বিষয়:   শ্রেণিকক্ষে বসে  কাঁদলেন রামিসার বাবা.কাঁদালেন সহপাঠীদেরও 


Loading...
Loading...

রাজধানী- এর আরো খবর

Loading...
Loading...
© 2026 Daily Daily Bhorer Dak
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে.এম. বেলায়েত হোসেন
৪-ডি, মেহেরবা প্লাজা, ৩৩ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত এবং মনিরামপুর প্রিন্টিং প্রেস ৭৬/এ নয়াপল্টন, ঢাকা থেকে মুদ্রিত। পিএবিএক্স: ৪১০৫২২৪৫, ৪১০৫২২৪৬, ০১৭৭৫-৩৭১১৬৭, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন: ৪১০৫২২৫৮
ই-মেইল : [email protected], [email protected]
ফলো করুন: