প্রকাশ: রবিবার, ৯ নভেম্বর, ২০২৫, ৩:৪৬ পিএম (ভিজিটর : ১৮০)
হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে নদী ও খাল বিলে পানি কমতে শুরু করেছে। ইতিমধ্যে ভাসমান মাছ আহরণ শুরু করেছেন জেলেরা। তবে এবছর নদীতে পানি ও তুলনামূলক মাছ না থাকায় লোকসানে পড়বেন বলে জানিয়েছেন জলমহাল ইজারাদার ও জেলেরা।
শনিবার ( ৯ নভেম্বর ) উপজেলার শুটকি নদী এবং বিভিন্ন জলমহাল ঘুরে এমন দৃশ্য দেখা যায়।
খোঁজ নিয়ে গেছে, প্রতিবছর যথাসময়ে খাল বিল ও নদীতে পানি বৃদ্ধি পায়। এবছর অবেলায় পানি আসাতে অধিকাংশ জলমহালগুলোতে পোনা মাছ ছাড়ার সুযোগ হয়নি। ফলে বড় মাছের সংকট দেখা দিয়েছে। বর্তমানে পাটি বাঁধের মাধ্যমে ভর জাল দিয়ে ভাসমান ছোট মাছ আহরণ করছেন জেলেরা। অধিকাংশ মৎস্য হাট ঘুরে পুকুরের চাষকৃত মাছ দেখা গেছে। তবে স্বল্প পরিসরে দেশীয় প্রজাতির মাছ হাটে উঠলেও দাম যেন আকাশছোঁয়া।
মৎস্যজীবি আরজ আলী বলেন, বানিয়াচংয়ের জলমহালগুলোর মাছ স্থানীয় ভোক্তাদের চাহিদা মিটিয়ে বিভিন্ন জেলা উপজেলার মৎস্য আড়ৎগুলোতে সর্বরাহ করা হতো। এতে অন্যান্য অঞ্চলের মানুষেরও চাহিদা পূরণ হতো। এবছর জলমহালগুলোতে অসময়ে পানি এসেছে, আবার চলেও গেছে। পোনা মাছ ছাড়ারও সুযোগ হয়নি আমাদের। বর্তমানে ছোট প্রজাতির মাছ জালে ধরা পড়ছে। বড় মাছ নাই বললেই চলে। এবছর ইজারাকৃত জলমহালগুলো লোকসানে পড়বে।
এব্যাপারে বানিয়াচং উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা বোরহান উদ্দিন বলেন, নদ-নদীতে অবেলায় পানি আসাতে মাছের কিছুটা সংকট দেখা দিতে পারে। ইতিপূর্বে সরকারিভাবে ৫৬০ কেজি পোনা মাছ বিভিন্ন নদী ও জলমহালে উন্মুক্ত করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।