পরকীয়ায় বাধা স্ত্রী ও ৩ মাসের শিশুকন্যা। পথের কাঁটা সাড়াতে তাই শিশুকন্যাকে হত্যা করে নদীতে ফেলে দিল বাবা। অভিযুক্তকে আটক করে ডুবুরি নামিয়ে শিশুটির দেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গ্রেফতার করা হয়েছে অভিযুক্ত বাবা জেসাই মুর্মুকে। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব বর্ধমানের মন্তেশ্বর গ্রামের পান বয়েরা গ্রামে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জেসাই একজন পরিযায়ী শ্রমিক। তার স্ত্রী রোজমেরী হেমব্রমা ২ জনেই ঝাড়খন্ডের বাসিন্দা। বেশ কয়েক বছর ধরে তারা এরাজ্যে ধান কাটতে, ধান কাটার মরসুমে আসে। এদের কন্যা ছোট থাকায় তাকে এবং স্ত্রীকে না নিয়েই জেসাই আসে। কিন্তু আসার সময় সে অপর এক মহিলাকে সঙ্গে নিয়ে আসে। খবর পেয়ে জেসাইয়ের স্ত্রী তার মেয়েকে নিয়ে পান বয়েরা গ্রামে এসে উপস্থিত হন। অপর মহিলার সঙ্গে সম্পর্কের জন্য তাঁর সঙ্গে স্বামীর মনোমালিন্য হয়। স্বামীকে কাছ ছাড়া করতে রাজি না হওয়ায় সে স্বামীর সঙ্গে থাকতে শুরু করে। বৃহস্পতিবার (১৪ নভেম্বর ) ভোরে শিশুকন্যাকে স্বামীর কাছে দিয়ে সে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে যায়। ফিরে এসে দেখে কন্যাসহ স্বামী উধাও। আশেপাশের লোকজনকে জিজ্ঞাসা করলে তারা ও খুঁজতে থাকে। শেষ পর্যন্ত জেসাইকে ধরে ফেলেন গ্রামবাসীরা। জেরার মুখে সে জানায় শিশুটিকে হত্যা করে সে পাশের খড়ি নদীর জলে ফেলে দিয়েছে। তাকে মারধর করে পুলিশের হাতে তুলে দেন গ্রামবাসীরা। ডুবুরি নামিয়ে শেষপর্যন্ত শিশুর দেহ উদ্ধার হয়। অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ।